রাশিদুল ইসলাম গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ

নাটোরের গুরুদাসপুরে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক ও তার পরিবারের চলাচলের পথ আটকে দেওয়ার ঘটনায় গতকাল রোববার (২৫ এপ্রিল) “প্রভাবশালীর বাঁশের বেড়ায় অবরুদ্ধ শিক্ষক পরিবার” শিরোনামে গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হয়। সংবাদটি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তমাল হোসেনের নজরে পড়লে আজ সোমবার দুপুরে উপজেলার ধারাবারিষা ইউনিয়নের উদবাড়িয়া গ্রামে ঘটনাস্থল পরিদর্শনে যান তিনি। সেখানে ওই স্কুল শিক্ষকের চলার পথে দেওয়া বাঁশের বেড়া উচ্ছেদ করে অভিযুক্তদের সতর্ক করেন।

সরেজমিনে জানা যায়, ভুক্তভোগী শিক্ষক আবুল বাশার উপজেলার মামুদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক। তার বাবা মকবুল হোসেনও ছিলেন প্রাথমিকের সহকারী শিক্ষক। গত ১৭ এপ্রিল সকালে হঠাৎ করেই তাদের চলাচলের পথটি বাঁশের বেড়ায় আটকে দেন প্রতিবেশি মজিবর ও তার ছেলে মুস্তা। বেড়া টপকে বেড় হলে হত্যা করার হুমকি দেওয়ায় প্রায় অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছিলেন ওই শিক্ষক। মজিবর প্রভাবশালী হওয়ায় ভয়ে আইনের আশ্রয়ও নিতে পারছিলেন না। ৯ দিন ধরে ওই পরিবারের ৭ সদস্য অবরুদ্ধ ছিলেন। গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশের পরদিনই উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তমাল হোসেন এসে উদ্ধার করায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ওই শিক্ষক পরিবার।

ইউএনও মো. তমাল হোসেন বলেন, ব্যাক্তি মালিকানার সম্পত্তি হলেও মানুষের চলার পথ আটকে রাখা আইন সম্মত না। ভবিষ্যতে এ ধরণের কাজ যাতে না হয় সেজন্য অভিযুক্ত মজিবরকে সতর্ক করা হয়েছে। এসময় উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার ও স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের উপস্থিতিতে অবরুদ্ধ শিক্ষক ও তার পরিবারকে উদ্ধার করা হয়। তারা স্বাভাবিক জীবন-যাপন করছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *