আব্দুস সামাদ বাচ্চু,আশাশুনি সংবাদদাতা ঃ আশাশুনিতে ঘূর্ণিঝড় যশ মােকাবেলায় উপকূলের ঝুঁকিপূর্ণ বাঁধ পরিদর্শন ও জনগণকে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নিতে নিরলসভাবে কাজ করছেন আশাশুনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ নাজমুল হুসেইন খাঁন। মঙ্গলবার সকাল থেকে তিনি উপজেলার প্রতাপ নগর ইউনিয়নের ঝুঁকিপূর্ণ ওয়াপদা বড়িবাঁধ পরিদর্শন ও ঘূর্ণিঝড়র যশ এর হাত থেকে রক্ষা পেতে উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষকে আশ্রয় কেন্দ্র সহ নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার জন্য প্রচারণামূলক কার্যক্রম চালান।

পরিদর্শনকালে ইউএনও নাজমুল হুসেইন খাঁন বলেন আগামী এক দুই দিনের মধ্য ঘূর্ণিঝড় যশ উপকূলে আঘাত হানার সম্ভাবনা রয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ২৬টি সাইক্লােন শেল্টার, ৮০টি স্কুল কাম ঘূর্ণিঝড় আশ্রয়ন কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। উপজেলার ১৫১৫ জন সিপিপি ভলেনটিয়ার ইতিমধ্যে সতর্কতামূলক কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। জনগণকে সচেতন করা ও প্রয়ােজনীয় সময়ে নিরাপদ স্থানে নেওয়া এবং দুর্যােগকালীন, দুর্যােগ পূর্ববর্তী ও পরবর্তীতে প্রয়ােজনীয় পদক্ষেপ গ্রহনে তারা প্রস্তুত রয়েছে।

১১ ইউনিয়নে ১১টি ও আশাশুনি হাসপাতালে একটি মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে। উপজেলা পরিষদ ভবনে একটি কন্ট্রোল রুম স্থাপন করা হয়েছে। যেকােন প্রয়ােজনে তথ্য সরবরাহ ও যােগাযােগ রক্ষার্থে কন্ট্রোল রুমের মােবাইল নম্বর ০১৭৭৯৫০৯০৩৫, ০১৭০০৭১৭০২১, ০১৭৯০৫৬৩৫৬৯ ও ০১৭৩৬১৮১০৩৮ চালু রাখা হয়েছে। সম্ভাব্য দুর্যােগের সময় ও পরবর্তীতে প্রয়ােজনে ব্যয় করার জন্য জেলা প্রশাসন আশাশুনি উপজলার ১১ ইউনিয়নর জন্য ২৫ হাজার টাকা করে বরাদ্দ দিয়েছেন। এছাড়া গাে-খাদ্য বাবদ ১ লক্ষ টাকা ও শিশু খাদ্য বাবদ ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

সকল ইউপি চেয়ারম্যানবৃন্দ স্ব স্ব ইউনিয়ন দুর্যােগ ব্যবস্থাপনার জন্য সতর্কবার্তাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে। ইউপি চেয়ারম্যানসহ স্ব স্ব ওয়ার্ড মেম্বার সিপিবির স্বেচ্ছাসেবক টিম পাউবাে’র ঝুঁকিপূর্ণ বেড়ী বাঁধের খােজ খবর রাখছেন।ওয়াপ বাঁধ ভেঙে এলাকা যাহাতে প্লাবিত হতে না পারে সেজন্য সকলকে এগিয়ে এসে সহযোগিতা করার আহ্বান জানায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা সোহাগ খান,প্রতাপনগর ইউপি চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ জাকির হোসেন প্রমুখ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *