আব্দুস সামাদ বাচ্চু,আশাশুনি সংবাদদাতাঃ
আশাশুনি উপজেলার কাদাকাটি ইউনিয়নের মিত্র তেঁতুলিয়া বাজারে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জমি প্রদান করেছেন দাবী করে প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ জমিদানের তথ্য ছাপিয়ে সাইন বাের্ড টানিয়ে ভীত করা ঘরসহ জমি দখলের অভিযােগ পাওয়া গেছে।
বাজারের বহু ব্যবসায়ী, স্থানীয় সাধারণ মানুষ, জন প্রতিনিধি ও গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জানান, বাজারের পূর্বপাশের অংশ খাস জমিতে দােকান করার জন্য সাজ্জাত দিং ঘরের কাজ শুরু করেন। ইতিমধ্যে ভীতের কাজ করা হয়ে গেছে। ঘরের দক্ষিণ পাশে অন্য দােকান যাতয়াতের জন্য গলুই পথ রাখা হয়। কিন্তু গত ১৫ দিন পূর্বে সেখানে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নূর ইসলাম গাজীকে ২ কাঠা ও রবিউল ইসলাম গাজীকে ২ কাঠা মােট ৪ কাঠা জমি দিয়েছেন দাবী করে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত ছাপানাে সাইনবোর্ড ও বেড়া দিয়ে ঘরের ভীত দখল করা হয়। একই সাথে পাশের গলুই পথে টিনের ঘর নির্মান করে দখল নেওয়া হয়।
এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান দীপঙ্কর কুমার সরকার দ্বীপ জানান, বিষয়টি নিয়ে পরিষদে সালিশী বৈঠক করা হয়। নূর ইসলাম ও রবিউল মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বরাবর ১৭/০১/২১ তারিখে খাস জমি বরাদ্দের আবেদন করেছেন কাগজ দেখান। তাদের কােন জমি একসনা বা চিরস্থায়ী বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। শালিসে তাদেরকে সাইনবাের্ড ও ঘেরাবেড়া খুলে নিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। কিন্তু তা করেনি। ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা প্রদীপ কুমার জানান, আমার জানামতে তাদেরকে কােন জমি অফিস থেকে দেওয়া হয়নি। ইউনিয়ন যুবলীগ সভাপতি আসিব ইকবাল রিপন জানান, মিথ্যা তথ্য দিয়ে জাতরি জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি ব্যবহার করে বাজারের মধ্যে বসবাসের নামে খাস জমি দখলের ঘটনা দলের ও প্রধানমন্ত্রীর ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন করা হয়েছে। স্থানীয় ইউপি সদস্য আয়ুব আলি জানান, বাজারের মধ্যে স্ত্রী-কন্যা নিয়ে বসবাসের ঝুঁকি ও সমস্যা রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদে শালিসের মাধ্যমে তাদরকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ছবি সম্বলিত সাইনবাের্ড ও বেড়া খুলে নিতে সিদ্ধান্ত দেওয়া হয়। চেয়ারম্যান বাবু তাদেরকে বসবাসের জন্য পৃথক স্থানে ব্যবস্থা করবেন বলে আশ্বস্ত করেন। কিন্তু তারা শালিসের সিদ্ধান্ত অমান্য করে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির পথে এগুচ্ছে। বিষয়টি তদন্ত পূর্বক কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহনের জন্য এলাকাবাসী উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *