আব্দুস সামাদ বাচ্চু,আশাশুনি প্রতিনিধি :
থানায় সেবা নিতে কোন তদবির ও টাকা লাগেনা এবং আইন যে অসহায় ও নির্যাতিতের পক্ষে সেটা আবারও প্রমাণ করলেন আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ গোলাম কবির।আশাশুনিতে প্রতিবন্ধী সরজিত সরকার এর স্বস্তির নিঃশ্বাস ফিরিয়ে দিয়ে পুলিশ যে জনগণের সেবক সেটা তিনি আবারও প্রমাণ করলেন।রবিবার দুপুরে প্রতিবন্ধী সরজিত সরকার এর লিখিত এক অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, হাড়িভাঙ্গা মৌজার জে এল নং ৯৪ খতিয়ান নং ২৩২ এর বিভিন্ন দাগে ৩.১৭ একর জমির মধ্যে দাবীকৃত তিন বিঘা জমির হারির টাকা নিয়ে তালবাহানা করে আসছেন শ্রীউলা ইউনিয়নের শ্রীউলা গ্রামের দিপুপদ সরকারের ছেলে নিরান সরকার (৪৫) ও তরঙ্গ সরকার (৪২) নাটানা গ্রামের পবন সরকারের ছেলে অর্জুন সরকার (৪১) এবং শ্রীউলা গ্রামের মোঃ সহমত (৪২) ও মোঃ রহমান সরদার (৪২)সহ অনেকে প্রতিবন্ধীর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে তার জমি দীর্ঘদিন ভোগ দখল করে আসছে। সরজিত সরকার উপজেলার শ্রীউলা ইউনিয়নের নাকতাড়া গ্রামের দীপুপদ সরকারের ছেলে। দারিদ্রতার কারণে প্রতিবন্ধী হওয়া সত্বেও সরজিত ভ্যান চালিয়ে পিতা-মাতা ও স্ত্রী-সন্তান নিয়ে কষ্টে জীবন যাপন করে।এ ব্যাপারে আশাশুনি থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী সরজিত সরকার ও তার মাতা ঊষা রানী সরকার অভিযোগ করতে আসলে পাশে বসিয়ে তাদের হারির টাকার আত্মসাতের ঘটনা শুনে তাৎক্ষণিক ফোর্স পাঠিয়ে তার হাড়ের টাকার ব্যবস্থা করেছি।তার দুইটা বাচ্চার কথা শুনে তাদের জন্য কিছু খাবারও পাঠিয়েছি। থানায় সেবা নিতে আসা সাধারণ জনগণের বক্তব্য, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষার পাশাপাশি পুলিশ যে জনগণের সেবক সেটাই বহুবার প্রমাণ করেছেন, থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মাদ গোলাম কবির।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *