মো.হোসেন আলী
সাতক্ষীরা প্রতিনিধি: সাতক্ষীরা সদরে দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী বৃস্পতিবার। শেষ মুহূর্তের প্রচারণায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের চাপের মুখে হিমশিম খাচ্ছেন নৌকা প্রতীকের প্রার্থীরা।

প্রচার প্রচারণার শেষদিকেও ভোটারদের বাড়িতে বাড়িতে যেয়ে যে যার মতো ভোট চাইতে ব্যস্ত থাকলেও নৌকার প্রার্থীরা একটু বেশি চাপ অনুভব করছেন বিদ্রোহী প্রার্থীদের নিয়ে।

সাতক্ষীরা সদরের ১৩ ইউপি মধ্যে ৯টিতে রয়েছে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী।
এবার সাতক্ষীরা সদরে ১৩ ইউপিতে দুই লাখ ৬৬ হাজার ৬৫৩ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবে। তাদের মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ৩৪ হাজার ২২৪ জন ও মহিলা ভোটার ১ লাখ ৩২ হাজার ৪২৯ জন।

তবে সারাদেশে নৌকার প্রার্থীরা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচনে অংশগ্রহণ করলেও সাতক্ষীরা সদরের ১৩ ইউপিতে নৌকার প্রার্থীরা চাপের মুখে থাকার অভিযোগ করে যাচ্ছেন একাধিক প্রার্থী।

সাতক্ষীরা সদরের ১০নং আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের নৌকার প্রার্থী প্রভাষক মো. মঈনুল ইসলাম জানান, বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের চাপে নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় বাধা গ্রস্থ হচ্ছি। তবে আমি নির্বাচনে জয়ী হলে আগরদাঁড়িকে ডিজিটাল ও দুর্নীতিমুক্ত ইউনিয়ন হিসাবে গড়ে তুলবো। বর্তমান সরকারের ইশতিহার অনুযায়ী গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা মূলক একটি আধুনিক ইউপি গড়বো এটাই আমার প্রত্যাশা।

এ বিষয়ে ১০নং আগরদাঁড়ি ইউনিয়নের সদ্য বহিষ্কৃত ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী চশমা প্রতীকের প্রার্থী মজনুর রহমান মালীর কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি খুব চাপে আছি, আমি কোন বক্তব্য দিতে পারব না।

বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুর রশিদ (ভারপ্রাপ্ত) এবং সাধারণ সম্পাদক মো. শাহজাহান আলী বলেন, ইতোমধ্যে সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ ৯ জন নৌকা প্রতীকের বিদ্রোহী প্রার্থীদেরকে সাময়িক বহিষ্কার করা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী নৌকার বিদ্রোহীদের কোন ভাবেই ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানান তারা।

ইতোমধ্যে সদরের ১৩ টি ইউপিতে বেশ কয়েকটি জায়গায় ঘটেছে নৌকা প্রতীকের প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগের ঘটনা। বিভিন্ন সময়ে সংঘর্ষে একাধিক কর্মী-সমর্থক আহত হয়েছেন, হয়েছে একাধিক মামলাও। তবে এ বিষয়ে বিদ্রোহী প্রার্থীরা পাল্টা হামলার অভিযোগ করেছেন নৌকার প্রার্থীর বিরুদ্ধে।

Leave a Reply