নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
কোরবানির ঈদ সামনে রেখে চলমান লকডাউন শিথিল করেছে সরকার।বর্তমান চাটমোহর করোনা ( কোভিড-১৯) সংক্রমণ পরিস্থিতি বিবেচনায়। ঈদুল আজহার নামাজ স্বাস্থবিধি মেনে শর্তসাপেক্ষে মসজিদে আদায় করা যাবে । এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি।
সোমবার (১৯ জুলাই) সকাল ১০টা ৩০মিনিটে উপজেলা পরিষদ সভা কক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো: সৈকত ইসলাম এর সভাপতিত্বে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি সভা অনষ্ঠিত হয়।
উক্ত আইন শৃঙ্খলা কমিটি সভা উপস্থিত সকলে আলোচনায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিধি-নিষেধ আরোপ করে নির্দেশনা জারির পরিপ্রেক্ষিতে করোনা ভাইরাস (কোভিড-১৯) এর স্থানীয় পরিস্থিতি ও মুসল্লিদের জীবন-ঝুঁকি বিবেচনা করে নিম্নবর্ণিত শর্তসাপেক্ষে ১৪৪২ হিজরি/২০২১ সালের পবিত্র ঈদুল আজহার নামাজ খোলা জায়গা বা ঈদগাহে না পড়ে মসজিদে ঈদের জামায়াত আদায়ের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ করা হলো।’

১ মসজিদে ঈদের নামাজ আয়োজনের ক্ষেত্রে কার্পেট বিছানো যাবে না। নামাজের আগে সম্পূর্ণ মসজিদ জীবাণুনাশক দ্বারা জীবাণুমুক্ত করতে হবে। মুসল্লিরা প্রত্যেকে নিজ নিজ দায়িত্বে জায়নামাজ নিয়ে আসবেন।

২. প্রত্যেককে নিজ নিজ বাসা থেকে ওজু করে মসজিদ আসতে হবে। ওজু করার সময় কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড সাবান-পানি দিয়ে হাত ধুতে হবে।

৩। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে মসজিদ ওজুর স্থানে সাবান, পানি ও হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখতে হবে।

৪. মসজিদ প্রবেশদ্বারে হ্যান্ড স্যানিটাইজার/হাত ধোয়ার ব্যবস্থাসহ সাবান ও পানি রাখতে হবে।

৫.ঈদের নামাজের জামায়াতে আগত মুসল্লিকে অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে। মসজিদে সংরক্ষিত জায়নামাজ ও টুপি ব্যবহার করা যাবে না।

৬.ঈদের নামাজ আদায়ের সময় কাতারে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৭. শিশু, বয়োবৃদ্ধ, অসুস্থ ব্যক্তি এবং অসুস্থদের সেবায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের ঈদের নামাজের জামায়াতে অংশগ্রহণ নিরুৎসাহিত করা হলো।

৮.সর্বসাধারণের সুরক্ষা নিশ্চিতকল্পে, প্রশাসন এবং আইন শৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনীর নির্দেশনা অবশ্যই অনুসরণ করতে হবে।

৯. করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে ঈদের জামায়াত শেষে কোলাকুলি এবং পরস্পর হাত মেলানো পরিহার করতে হবে।

১০. করোনা মহামারির এ বৈশ্বিক মহাবিপদ হতে রক্ষা পেতে বেশি বেশি তওবা, আস্তাগফিরুল্লাহ ও কুরআন তিলাওয়াত করতে হবে এবং আমাদের কৃত অন্যায়-অপরাধের জন্য ঈদের নামাজ শেষে মহান রাব্বুল আলামিনের দরবারে ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।

১১. খতিব, ইমাম, মসজিদ পরিচালনা কমিটি ও স্থানীয় প্রশাসন কর্তৃক নির্দেশনাগুলোর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করতে হবে।

খ। উল্লিখিত নির্দেশনা লংঘিত হলে স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সংশ্লিষ্ট দায়িত্বশীলদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে। প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে স্থানীয় প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণকারী বাহিনী, ইসলামিক ফাউন্ডেশনের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সংশ্লিষ্ট মসজিদের পরিচালনা কমিটিকে উল্লিখিত নির্দেশনা বাস্তবায়ন করার জন্য অনুরোধ জানানো হলো।

গত বছর করোনা সংক্রমণের কারণে খোলা জায়গার পরিবর্তে মসজিদে ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আজহার নামাজ আদায় করা হয়।

এই সিদ্ধান্ত গ্রহণে উপজেলা আইন শৃঙ্খলা কমিটি সভা উপস্থিত ছিলেন
পজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মো: ইছাহক আলী মানিক,উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি)শারমিন ইসলাম। ইউ,পি,চেয়ারম্যান মো: আজাহার আলী,ইউপি চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম,ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আলী। উপজেলা পরিষদের কর্মকর্তবৃন্দ , চাটমোহর
থানার এসআই আবুল কালাম আজাদ,প্রেস ক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক চলনবিল সম্পাদক রকিবুর রহমান টুকুন, সাবেক প্রেসক্লাব সভাপতি ও দৈনিক আমাদের বড়াল সম্পাদক,প্রকাশক মো: হেলালুর রহমান জুয়েল, ,চাটমোহর রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতিও সাপ্তাহিক সময় অসময় পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক কে,এম, বেলাল হোসেন স্বপন। চাটমোহর চাটমোহর রিপোর্টার্স ইউনিটি ও অনলাইন প্রেস ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক এবং সময় সংবাদ বিডির সম্পাদক ও প্রকাশক শেখ সালাউদিন ফিরোজ ,প্রমুখ ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *