নাহিদ মিয়া,মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি:
হবিগঞ্জের মাধবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আব্দুর রাজ্জাক পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক জানিয়েছেন মাধবপুর উপজেলা ও পৌরবাসীকে সকলের প্রতি।
শুভেচ্ছা ও ঈদ মোবারক বার্তার জানান ওসি আব্দুর রাজ্জাক, সকলের নিকট জানান, বর্তমানে দেশের পরিস্থিতি খুব ভয়াবহ তাই সবাই পবিত্র ঈদুল আযহার সালাত যার যার মসজিদের মধ্যে করোনা কালীন সময়ের সকল নিয়ম কানুন বজায় রেখে মুখে মাস্ক পরিদান করে স্যানেটারি হ্যান্ড ওয়াশ ব্যবহার করবেন এবং দূরত্ব বজায় রেখে সালাত আদায় করবেন।তিনি এক শুভেচ্ছা বার্তায় বলেন, বৈশ্বিক মহামারী রূপ নেয়া করোনা ভাইরাসের মাঝে আমাদের কাছে এসে উপস্থিত মহা খুশীর দিন। প্রাণঘাতী করোনা সরে নতুন প্রাণের সঞ্চার হোক দিগন্তজুড়ে। দল মত নির্বি শেষে মাধবপুর উপজেলার সর্বস্তরের জনগনসহ ওই থানার পুলিশ প্রশাসন কর্মকর্তাদের প্রতি পবিত্র ঈদুল আযহার শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। তিনি বলেন মহান আল্লাহর নিকট কোরবানি কবুল হওয়ার জন্য শুদ্ধ নিয়ত ও উপার্জন থাকা আবশ্যক। পাশাপাশি সকলেই সরকার নির্ধারিত স্থানে কোরবানি দেওয়া ও কোরবানির বর্জ্য অপসারণসহ পশু ক্রয় থেকে শুরু করে প্রতিটি কার্যক্রম করোনাকালে স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে করতে সচেষ্ট থাকবেন বলে আমি আশা রাখি। পবিত্র ঈদুল আজহা সবার জন্য বয়ে আনুক কল্যাণ, সবার মধ্যে জেগে উঠুক ত্যাগের আদর্শ-মহান আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করি।’
তিনি বলেন, এ ২ বছর এমন একটা সময়ে ঈদুল আজহা অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন মহামারি করোনার ছোবলে বিশ্ববাসী বিপর্যস্ত। বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে অনেক মানুষই মানবেতর জীবনযাপন করছে। এসব মানুষের কল্যাণে নিজ নিজ অবস্থান থেকে সকলকে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিতে হবে।আরো বলেন, ‘করোনা মোকাবেলায় সকলকে সচেতন হতে হবে এবং জীবনযাপনে ও চলাফেরায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। নিজে সুস্থ থাকি, অন্যকেও সুস্থ রাখি-এটাই হোক এবারের ঈদুল আজহার সকলের অঙ্গীকার।’
তিনি আরো বলেন , মহান আল্লাহর প্রতি গভীর আনুগত্য ও সর্বোচ্চ ত্যাগের মহিমায় ভাস্বর পবিত্র ঈদুল আজহা। ‘আজহা’ অর্থ কোরবানি বা উৎসর্গ করা। ঈদুল আজহা উৎসবের সঙ্গে মিশে আছে চরম ত্যাগ ও আল্লাহর প্রেমে । মহান আল্লাহর নির্দেশে স্বীয় পুত্র হযরত ইসমাইল (আঃ) কে কোরবানি করতে উদ্যত হয়ে হযরত ইব্রাহিম (আ.) আল্লাহর প্রতি অগাধ ভালোবাসা, অবিচল আনুগত্য ও অসীম আত্মত্যাগের যে সুমহান দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন তা ইতিহাসে অতুলনীয়।তিনি জানান আমাদের মাঝে আত্মদান ও আত্মত্যাগের মানসিকতা সঞ্চারিত করে, আত্মীয়স্বজন ও পাড়া-প্রতিবেশীর সঙ্গে সুখ-দুঃখ ভাগাভাগি করে নেওয়ার মনোভাব ও সহিষ্ণুতার শিক্ষা দেয়। কোরবানির মর্ম অনুধাবন করে সমাজে শান্তি ও কল্যাণের পথ রচনা করতে আমাদের সংযম ও ত্যাগের মানসিকতায় উজ্জীবিত হতে হবে। ত্যাগের শিক্ষা আমাদের ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে প্রতিফলিত হলেই প্রতিষ্ঠিত হবে শান্তি ও সৌন্দর্য।এবং সবাই সুস্থ থাকুন, ঘরে থাকুন, মুখে মাস্ক ব্যবহার করুন। দূরত্ব বজায় রেখে চলাচল করুন। পরিবার পরিজন হতদরিদ্র পরিবার সহ সকল কে নিয়ে পবিত্র ঈদুল আযহার আনন্দ সকল কিছু মেনে উপভোগ করুন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *