নিজেস্ব প্রতিবেদনঃ
সাংবাদিকদের গলা নয়, কথা বলে কলম। মুখোশধারীদের মুখোশ খুলে আসল চেহারাগুলো বের করে আনতে হাজারও রোজিনা ও তার সহযোদ্ধা ভাইয়েরা কাজ করছে মাঠে,
আর এইসব সাংবাদিকদের অনুসন্ধানে বের হয়ে আসে থলের বিড়াল।

গণমাধ্যম কী স্বাধীন হবে না? চাটুকারিতা মুক্ত হলেই হেনস্তার শিকার হতে হচ্ছে আমার সাংবাদিক ভাই বোনদের।
মুক্তভাবে সমাজের চিত্র কী আর তুলে ধরতে পারবে না সাংবাদিকরা? সাংবাদিকদের সমাজের দর্পন বলা হয়, সাংবাদিকদের মাধ্যমেই সমাজের চিত্র দেখতে পায় সাধারণ মানুষ।

সাংবাদিকদের হাত বাধা থাকার কারণে সমাজ সাদাকে সাদা এবং কালোকে কালো হিসেবে দেখতে পারে না এখন।
সমাজের অন্যায়ের প্রতিচ্ছবি প্রকাশ করতে গেলেই গুম খুন, নতুবা শারীরিক অত্যাচারের শিকার হতে হচ্ছে সাংবাদিকদের।
সাংবাদিক হোক চাটুকারিতা মুক্ত এবং সাংবাদিকতা হোক শুধুমাত্র দেশ ও জাতির কল্যাণে।

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে নথি চুরির অপবাদ দিয়ে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
রোজিনা ইসলাম যদি চোর হয় তাহলে আমি আমরাও চোর। চোর হিসেবে আমি/আমরা গর্বিত। আমরা চুরি করি দেশের জন্য। যারা পুকুর চুরি, বালিশ চুরি করে তাদের নথি আমরা চুরি করে দেশবাসীকে জানাই। দেশবাসীর কাছে তুলে ধরি ভদ্র পোশাকের আড়ালে থাকা চোরদের আসল চেহারা উন্মোচন করি, দেশকে চোর ও সিন্ডিকেটদের হাত থেকে বাচাঁতে আমরা তথ্য চুরি করি। এজন্য তথ্য চোর হিসেবে আমরা গর্বিত।

কিন্তু ভদ্র পোশাকের আড়ালে থাকা চোরদের আপনারা কি বলবেন? তাদেরকে কেন গ্রেফতার করছেন না। দেশের জনগনের সম্পদ নয়ছয় করে নথি তৈরীকারীদের বিচার কি আপনারা করবেন?
নাকি অনিয়মের তথ্য প্রকাশ করায় নথি চুরির অপবাদ দিয়ে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ এই মহান পেশাকে কলংকিত করবেন।

সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে মিথ্যে অপবাদ দিয়ে গ্রেফতারের তীব্র নিন্দা জানাই। অবিলম্বে তার মুক্তি চাই, মুক্তি চাই।

অতিরিক্ত সচিব জেবুন্নেছা এত টাকা কোথা থেকে পেলো দেশের জনগণ জানতে চায়?

অতিরিক্ত সচিব জেবুন্নেছার দূর্নীতি-
তার অবৈধ সম্পদের অংশ বিশেষ নয় কি?

“স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত আপা,যিনি সবসময় অতিরিক্ত বোঝেন। দেশের মানুষের জীবন নিয়ে ছিনিমিনি খেলেছেন কাজী জেবুন্নেছা”

ইতিমধ্যে গনমাধ্যমে প্রকাশ হচ্ছে, জেবুন্নেছা তার রুপ দেখিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে ম্যানেজ করে শতকোটি টাকা অনিয়মের মাধ্যমে বিদেশে পাচার করেছেন। জীবন রক্ষাকারী স্বাস্থ্য সেবা খাত করেছে দুর্নীতির স্বর্গরাজ্য। চিকিৎসা সামগ্রী ক্রয়ে ভেজালের আশ্রয় নিয়ে লুটপাট করেছে কোটি কোটি টাকা। সাধারণ মানুষের জীবন হুমকিতে ফেলেছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের বেহাল দশার কারণে অনেক মানুষ জীবন হারিয়েছে করোনায়।
সাংবাদিক নির্যাতনকারী কাজী জেবুন্নেছা স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব। রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ নথির একটি তার! যেকারণে তিনি সাংবাদিক রোজিনা আক্তারকে সচিবালয়ে গলা টিপে ধরেছেন, বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে জানা যায় কাজী জেবুন্নেছার কানাডায় ৩ টি বাড়ি, পুর্ব লন্ডনে ১ টি এবং ঢাকায় ৪টি বাড়ী, গাজীপুরে ২১ বিঘা জমি আছে। এছাড়া নামে-বেনামে রয়েছে ৮০ কোটি টাকার এফডিআর। অনুসন্ধানে বেরিয়ে আসছে আরো অজানা অনেক তথ্য। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ে দুর্নীতির শক্তিশালী সিন্ডিকেট তৈরি করেছেন এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তা।
সাংবাদিক রোজিনা ইসলামকে হেনস্তাকারীসহ সাংবাদিকদের উপর নির্যাতনকারী অপরাধী সন্ত্রাসীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী করছি।
এবং অনতিবিলম্বে প্রথম আলোর সিনিয়র সাংবাদিক রুজিনার নিঃশর্তে মুক্তি দাবী জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *