নিজস্ব প্রতিবেদকঃ

বিলুপ্ত ছিটমহলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে সরকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রক্রিয়া গ্রহন করেছে। ৬৮ বছর ধরে শিক্ষার আলো থেকে অন্ধকারে বিলুপ্ত ছিটমহলবাসী। শিক্ষার পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে সরকার। এরই মধ্যে বিলুপ্ত ছিটমহলে গড়ে উঠেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বিনা বেতনে পাঠদান করাচ্ছে শিক্ষকরা। শিক্ষক-কর্মচারীরা করছে মানবতর জীবনযাপন। ইতিমধ্যে শিক্ষা মন্ত্রনালয় থেকে পাঠদানের অনুমতি দিয়েছে ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে। ওই বিলুপ্ত ছিটমহলের ১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক নিবন্ধন শর্ত শিথিল সাপেক্ষে শিক্ষক-কর্মচারী এমপিওভুক্তির ব্যাপারে মতামত চেয়ে পত্র প্রেরন করেছে ৩ জেলা প্রশাসনের নিকট পত্র প্রেরন করেছে শিক্ষা মন্ত্রনালয়। ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতামত দ্রুত প্রেরনের নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসকদের। জেলা প্রশাসকদের মতামত এলে এমপিওভুক্তির কাজ এগিয়ে যাবে।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বেসরকারী মাধ্যমিক -৩ শাখা এর উপসচিব মো. কামরুল হাসান বলেন, জেলা প্রশাসকদের কাছে প্রেরনকৃত প্রধানমন্ত্রীর স্বাক্ষরিত পত্রে ১২ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান হচ্ছে পঞ্চগ্রাম জেলার বিলুপ্ত ছিটমহল এর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান আলিম মাদরাসা, মফিজার রহমান কলেজ, রাজমহল উচ্চ বিদ্যালয়, কুড়িগ্রাম জেলার দাসিয়ারছড়া বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কামালপুর মইনুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শেখ রাসেল উচ্চ বিদ্যালয়, বালাপাড়া খাগড়াবাড়ী তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়, মোজাহার হোসেন উচ্চ বিদ্যালয়, বেউলা ডাঙ্গা আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়, মইনুল-মোস্তফা মহাবিদ্যালয়, লালমনিরহাট জেলার হাতিবান্ধা উপজেলার উত্তর গোতামারী বিলুপ্ত ছিটমহলের আজিমপুর উত্তর গোতামারী মইনুল হক মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাটগ্রাম উপজেলার বাসকাটা দয়ালটারী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়
এ বিষয়ে বালাপাড়া খাগড়াবাড়ী তালতলা উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক আবু জাফর বুলু বলেন, এমপিও ভুক্ত এখন পযন্ত না হওয়ায় শিক্ষকরা মানবেতর জিবন যাপন করতেছি। তাই ছিটমহলের উন্নয়নকে এগিয়ে নিতে এমপিও জোর দাবি জানাচ্ছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *