এম.এ রহিম গোয়াইনঘাট (সিলেট)প্রতিনিধি:

সিলেটের গোয়াইনঘাটে ডাক্তার নামধারী হাতুরে চিকিৎসকের প্রতারণায় দর্শনার্থী জন সাধারণ এবং তারা দিনদিন প্রকৃত চিকিৎসাসেবা থেকে হারিয়ে যাচ্ছে।

বিস্তারিত,
চিকিৎসার নামে ডাক্তার পরিচয়ে গোয়াইনঘাটে ব্যবসা পেতে বসেছেন একাধিক হাতুরী চিকিৎসকরা।এতে প্রকৃত চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত দর্শনার্থী জনসাধারণ।
পর্যটন নগরী সিলেটের জাফলংয়ে পর্যাপ্রাপ্ত এমবিবিএস ডাক্তার না থাকার সুযোগ নিচ্ছে এইসব প্রতারকরা।স্বাস্থ্যসেবার নামে দীর্ঘদিন এই অনিয়ম চলিতেছে জেনে এবং তৃনমূল অপরাধ বন্ধে উদাসীন সিলেটের ঔষুধ প্রশাসন।

এসব ফার্মেসীতে নেই কোন দক্ষ ফার্মাসিষ্ট।সর্বরোগের ডিগ্রিদারী এসব হাতুরে চিকিৎসকদের ভুল চিকিৎসার কারণে রোগমুক্তি তো দুর বরং ইনফেকশনের সম্মুখীন হচ্ছেন অনেকেই।
একাধিক অপকর্মের অবসান ঘটিয়ে ঔষুধ প্রশাসন মন্তব্য,
লাইসেন্স ছাড়া যত্র-তত্র ফার্মেসী স্থাপন করা হলে আইনানুগ ব্যাবস্থা নেওয়ার কথাও বলেছেন ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর।

গত ১২মার্চ শুক্রবার সকালে গোয়াইনঘাট উপজেলার বাংলাবাজার,রাধানগর ও জাফলং বাজারের কয়েকটি ফার্মেসীতে অভিযান চালায় ঔষুধ প্রশাসন অধিদপ্তর সিলেটের সহকারী পরিচালক সিকদার মো.কামরুল ইসলাম।অভিযানে বাংলাবাজার জুলিয়া ফার্মেসীতে পাওয়া যায়,যৌন উত্তেজক ট্যাবলেট,জিনসিন সিরাপ,অনুমোদনহীন ও মেয়াদ উত্তীর্ন ঔষধসহ নানা অনিয়ম।এছাড়াও ফার্মেসীর মালিক হাতুরে চিকিৎসক আবুল কালাম বৈধ কোন কাগজ পত্র দেখাতে পারেনি। প্রতারনা করে দীর্ঘদিন থেকে মডেল ফার্মেসীর সাইনবোড ব্যাবহার করে আসছিল।
এসময় ভুয়া ডাক্তার’র সাইনবোড অপসারণ করে ঔষধ প্রশাসন। বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রচার না করার অনুরোধ করে ব্যার্থ হয়ে,প্রচারিত গণমাধ্যম ও সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে কুরুচি মন্তব্য করে প্রতারক আবুল কালাম।চিকিৎসার নামে অপচিকিৎসায় জড়িত সকল প্রতারকদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যাবস্তা নিবেন সংশ্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষ এমন প্রত্যাশা সচেতন মহলের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *