কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ-

কক্সবাজার জেলার পেকুয়া উপজেলা শিলখালী ইউনিয়নের কাছারীমোড়া এলাকায় পানি নিষ্কাশনের ড্রেন দখল করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় ১নং ওয়ার্ড আ’লীগের সভাপতি মোস্তফা কামাল ওরফে কুন্যার বিরুদ্ধে। এতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে চার গ্রামের প্রায় “১২০০” পরিবারের মানুষ।

তথ্য মতে অনুসারে, শিলখালী ইউনিয়নের কাছারীমোড়া স্টেশন থেকে দক্ষিণে ৩০০ মিটার দূরে কসাই পাড়া মোড়। এ মোড় হয়ে কসাই পাড়া, পশ্চিম কাছারীমোড়া, দক্ষিণ পাড়া ও শীল পাড়ার ১২শ পরিবারের অন্তত আট হাজার মানুষ চলাচল করে। এই চলাচল সড়কের এক পাশে রয়েছে পানি নিষ্কাশনের সরকারি ড্রেন। এ ড্রেনটি কাছারীমোড়া গ্রামবাসী ও কাছারীমোড়া স্টেশনের ব্যবহার্য পানি ও বর্জ্য নিষ্কাশনের একমাত্র মাধ্যম।

অভিযোগের প্রেক্ষীতে সরেজমিনে দেখা যায়, কসাই পাড়া মোড়ের ড্রেনটির উপর মাটি ফেলে ভরাট করা হয়েছে। এতে পানি চলাচল বন্ধ হয়ে পড়ায় ড্রেনের পানি ও বর্জ্য উপচে সড়ক কর্দমাক্ত হয়ে পড়েছে। মানুষ ও যান চলাচল করছে এ কর্দমাক্ত পথ ও বর্জ্য মাড়িয়ে। যার ফলে পথ চলাচলে মানুষের দুর্ভোগ ও যান চলাচলে দুর্ঘটনার শংকা দেখছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় বাসিন্দা আবু বক্কর বলেন, ড্রেন দখল হওয়াতে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে সড়কের যে বেহাল দশা হয়েছে তাতে পথচারীদের পথ চলতে সমস্যা হচ্ছে। যেকোন সময় ঘটতে পারে বড় ধরনের দুর্ঘটনা।

কাছারীমোড়া স্টেশনের ব্যবসায়ী জাহাঙ্গীর সওদাগর বলেন, ১৫ বছর আগে তৈরি করা এই ড্রেন চার এলাকাসহ কাছারীমোড়া স্টেশনের পানি ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ভূমিকা রেখে আসছে। হঠাৎ করে আ’লীগ নেতা মোস্তফা কামাল রাজনৈতিক প্রভাবে অবৈধভাবে এই ড্রেনের উপর মাটি ফেলে দখল করে নিয়েছে।

অভিযোগ অস্বীকার করে মোস্তফা কামাল বলেন, আমার জায়গার উপরে আমি মাটি ফেলছি। এক্ষেত্রে ড্রেন দখল করার কোন বিষয় দেখিনা।

এব্যাপারে স্থানীয় ইউপি সদস্য জামাল হোসেন জানু বলেন, মোস্তফা কামালের ড্রেন দখল করাটা জনস্বার্থের জন্য অনেক বড় একটা সমস্যা। ইতোমধ্যে সে ড্রেনের কিছু অংশ ভেঙে ফেলেছে। মাটি দিয়ে ভরাট করে সৃষ্টি করেছে জলাবদ্ধতা। ড্রেনের উপর থেকে ভরাটকৃত মাটি সরিয়ে না ফেললে তা হবে এ এলাকার মানুষের জন্য দীর্ঘস্থায়ী একটি দুর্ভোগ।

Leave a Reply