কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধিঃ-

কক্সবাজারে প্রেস ইনস্টিটিউট ( পিআইবি )’র উদ্যোগে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শরনার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার শাহ রেজওয়ান হায়াত সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে বলেছেন, ‘আপনারা হচ্ছেন সমাজের আয়না। সমাজ আপনাদের মাধ্যমেই সকল কিছু দেখে। ভালটা হোক, খারাপটা হোক। এই যে দেখানোর পবিত্র দায়িত্ব, এটাকে আমরা পবিত্র দায়িত্ব বলার কারণ এটা মানুষকে মিসগাইড করবে না। মানুষকে সত্য, বস্তুনিষ্ঠ জিনিস সরবরাহ করবে। এভাবে পাঠককে সজাগ করবে, সচেতন করবে।

কক্সবাজার প্রেসক্লাব মিল সারাদেশে এ ধরনের প্রশিক্ষনের ব্যবস্থা গ্রহন করায় তিনি পিআইবিকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, সাংবাদিকদের জন্য এ ধরনের প্রশিক্ষন আয়োজনের উদ্দেশ্য হলো, রিফ্রেশ করা, মনে করিয়ে দেওয়া এবং সূত্রটা ধরিয়ে দেওয়া। বাংলাদেশে খুব কাছাকাছি সময়েও যদি আপনারা দেখেন, এ ধরনের কোন স্ট্রাকচার, এ ধরনের কোন প্রশিক্ষন হতো না।

মনে চাইলো একজন সাংবাদিক হলো, কিন্তু সাংবাদিকের অনেক নর্মস আছে, সূত্র আছে, সংবাদ উপস্থাপনার ঢং আছে- এগুলো প্রাতিষ্ঠানিকভাবে যদি আমরা নিতে পারি, তা আমাদেরকে অনেক সাহায্য করে পাঠকের কাছে নিয়ে যাওয়ার জন্য।

বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদের সভাপতিত্ব অনুষ্ঠিত সমাপনী অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন কক্সবাজার সাংবাদিক ইউনিয়ন ও কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সভাপতি আবু তাহের, কক্সবাজার প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ মুজিবুল ইসলাম, বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউট (পিআইবি) এর প্রশিক্ষক শাহ আলম প্রমুখ।

সভাপতির বক্তব্যে সংবাদপত্রের ভাষা, সাংবাদিকতার একাল-সেকাল নিয়ে কথা বলেন জাফর ওয়াজেদ। তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। এখানকার সাংবাদিকরা পেশাগত দক্ষতার মাধ্যমে ইংরেজী ভাষায় দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমেও কাজ করার সুযোগ পেতে পারে। আমরা এই অঞ্চলের সাংবাদিকদের পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য ভবিষ্যতে মোবাইল জার্নালিজম, ইংরেজী ভাষার প্রশিক্ষনসহ নানা উদ্যোগ নিতে চাই। কক্সবাজারের সাংবাদিকদের জন্য আমার সহযোগীতা সবসময় থাকবে।

প্রশিক্ষনের সমাপনী দিনে প্রশিক্ষক হিসেবে ছিলেন দেশের অনুসন্ধানী সাংবাদিকতার আইকন, নিউইয়র্ক টাইমসের স্ট্রিংগার ও বৈশাখী টেলিভিশনের পরিকল্পনা পরামর্শক জুলফিকার আলী মানিক। পৃথক তিনটি সেশনে তিনি অনুসন্ধানমূলক রিপোর্টে তথ্য সংগ্রহের ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধতা ও করণীয়,অনুসন্ধানমূলক রিপোর্ট লেখার কৌশল, সংবাদপত্রে অনুসন্ধানমূলক রিপোর্ট তৈরি ধরণ ও প্রবণতা, ‘অনুসন্ধানী রিপোর্ট: সোর্সের ব্যবহার’ বিষয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন।

প্রশিক্ষণে জেলায় কর্মরত বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার ৩৫জন গণমাধ্যমকর্মী অংশগ্রহণ করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *