মিরু হাসান বাপ্পী
আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধি:

বগুড়ার আদমদীঘি-সান্তাহার ও এর আশপাশ এলাকার পোস্ট আফিসের ডাকবক্সগুলো আগেরমত আর ব্যবহার হয় না। বাক্সগুলো শুধু কালেরস্বাক্ষী হয়ে আছে। আগেরমত আর ডাকবক্সগুলেতে চিঠি পরে না। তবে ডাক বিভাগের রেলওয়ে মেইল সার্ভিসের মাধ্যমে চিঠিপত্র আদান-প্রদান প্রায় আগের মতই চলছে। ফলে সেখানে জনবল সঙ্কটে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

এক সময় দেশ-বিদেশ দূরের কারোর সাথে যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম ছিল ডাকবিভাগ। ডাকযোগে চিঠিপত্র দিয়ে দূরের প্রয়োজনীয় কাজ মিটানো হত এবং প্রিয়জনদের খোজ খবর নেয়া হত। এক সপ্তাহ, দু’সপ্তাহ এমনকি এক মাস পর চিঠি পৌছিলেও এ যোগাযোগ ব্যবস্থার কদরছিল সবার কাছে। বাড়ির সামনে ডাকবিভাগের পিয়ন দেখলেই মনে হতো কোন সংবাদ এসেছে।

আধুনিকতার ছোঁয়ায় ফ্যাক্স, ইমেইল, মোবাইলসহ অনলাইন ইন্টারনেটের কল্যানে সামাজিক যোগাযোগ ব্যবস্থার সহজ লভ্যতায় হারিয়ে যাচ্ছে চিঠির প্রয়োজনীয়তা। মোবাইল ফোনে মুহুর্তের মধ্যে দূরের ও কাছের নিকট স্বজনের খোঁজ-খবর নেওয়া যাচ্ছে। ফলে পোস্টআফিসের ডাকবক্সগুলো এখন শুধু কালের স্বাক্ষী। আগেরমত ডাকবক্সেগুলোতে চিঠি পরে না। তবে ডাক বিভাগের রেলওয়ে মেইল সাভির্সের মাধ্যমে চিঠিপত্রের আদান-প্রদান প্রায় আগেরমত চললেও সে এখানে লোকবল সঙ্কটের কারনে কাজকর্ম ব্যাহত হচ্ছে।

এই রেলওয়ে মেইল সাভির্স ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। এই মেইল সাভির্সের মাধ্যেমে স্কুল, কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের পরীক্ষার খাতা, সরকারি অফিস, আদালতের জরুরি চিঠিপত্র, রেসরকারি এনজিও ঔষধ কোম্পানির চিঠি দেশের বিভিন্ন স্থানে পাঠানো হয়। এখানে সবমিলে ২৬ জন লোক প্রয়োজন। কিন্ত আছে মাত্র ৯/১০ জন। সান্তাহার পোস্ট মাস্টার আলী আকবরের সাথে কথা বললে তিনি বলেন চিটিপত্রের চাপ কম তবে পার্সেল, বীমা, পরীক্ষার খাত, সঞ্চপত্রেরমত কাজগুলো বেশী হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *