রাশিদুল ইসলাম,গুরুদাসপুর (নাটোর) প্রতিনিধিঃ

নাটোরের গুরুদাসপুরে সুবর্ণা(১৮) নামের এক গৃহবধুকে গলা টিপে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামী সাগর ও তার পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে।

আজ বুধবার(১৪) জুলাই সকালে উপজেলার বিয়াঘাট ইউনিয়নের বিলহরিবাড়ী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত ওই গৃহবধু তাড়াশ উপজেলার কুন্দইল গ্রামের মোঃ হাফিজুর রহমানের মেয়ে ও বিলহরিবাড়ী এলাকার মোঃ জামাল মোল্লার ছেলে সাগর আলীর স্ত্রী। তবে এ ঘটনার পর থেকে শশুড় বাড়ির লোকজন পালাতক রয়েছে। নিহত গৃহবধুর গলার ডান কাঁধ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে এবং গলায় আঘাতের চিহ্ন থাকায় প্রাথমিক ভাবে ধারণা করা হচ্ছে তাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে।

নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়- দুই বছর আগে বিলহরিবাড়ী এলাকার জামাল মোল্লার ছেলে সাগর আলীর সাথে তাদের মেয়ে সুবর্ণার বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই বিভিন্ন ভাবে স্বামী ও তার শশুড় বাড়ির লোকজন তাকে নির্যাতন করে আসছিলো।বেশ কিছুদিন আগেও সুবর্ণা বাবার বাড়িতে গিয়ে স্বামীর বাড়িতে আর আসতে চায়নি। অনেক বুঝিয়ে শেষ বারের মত স্বামীর বাড়িতে তাদের মেয়েকে আবার পাঠানো হয়। আসার পর থেকেই নির্যাতিত হচ্ছিলো তাদের মেয়ে। হঠাৎ বুধবার ভোরে শশুড় বাড়ি এলাকা থেকে তাদের জানানো হয় তাদের মেয়ে গলায় ফাঁস নিয়েছে। শোনার পরপরই মেয়েকে দেখতে আসেন তিনারা। এসে দেখেন তাদের মেয়ের গলার ডান কাঁধ দিয়ে রক্ত বের হচ্ছে এবং গলায় গুরুত্বর আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।জামাই সাগর আলী ও তার পরিবারের লোকজনের সহযোগিতায় মেয়ে সুবর্ণাকে গলা টিপে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ করেন সুবর্ণার বাব মা।

গুরুদাসপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি)মোঃআব্দুর রাজ্জাক জানান, নিহত গৃহবধুর শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। মরদেহটি উদ্ধার করে নাটোর মর্গে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর মুল ঘটনা জানাযাবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *