ভ্রাম‍্যমান প্রতিনিধি চট্টগ্রাম :
চট্টগ্রামের উন্নয়নের স্বার্থে ঢাকায় বসবাসরত চট্টগ্রামবাসীর একটা লবিং গ্রুপ থাকা উচিত বলে মত দিয়েছেন চসিক প্রশাসক খোরশেদ আলম সুজনের পরামর্শক কমিটির সদস্যরা। গতকাল সোমবার তাঁরা প্রশাসকের সাথে এক জুম কনফারেন্সে মিলিত হন। কনফারেন্সে প্রশাসক সুজন সভাপতিত্ব করেন। বক্তব্য দেন, প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. আবদুল করিম, ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত, শিক্ষাবিদ হসিনা জাকারিয়া, জাতীয় ক্রিকেট টিমের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিবির পরিচালক আকরাম খান, প্রকৌশলী প্রবীর সেন, স্থপতি আশিক ইমরান, চট্টগ্রাম বন্দরের সাবেক সদস্য কমোডর জোবায়ের, মুক্তিযোদ্ধা মো. নুরুল আলম। উপস্থিত ছিলেন চসিকের প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা মো. মুফিদুল আলম, প্রধান শিক্ষা কর্মকর্তা সুমন বড়ুয়া। সভাপতির বক্তব্য চসিক খোরশেদ আলম সুজন বলেন, স্বল্প সময়ের মেয়াদকালে আমি চেষ্টা করেছি চট্টগ্রাম নগরীকে পরিচ্ছন্ন, পরিবেশবান্ধব, মানবিক ও চিত্তের শহরে পরিণত করতে। সফলতার বিচার ভার নগরবাসীর হাতে। চসিকের সকল বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী ও গণমাধ্যমকর্মীরা আমাকে আন্তরিকভাবে সহযোগিতা করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর সাবেক মুখ্য সচিব ড. আবদুল করিম প্রশাসকের এই পরামর্শক কমিটি রাখা না রাখার বিষয়ে নব নির্বাচিত মেয়রের সাথে ব্যক্তিগতভাবে প্রশাসককে আলাপ করার বিষয়ে মতামত দেন। শিক্ষাবিদ হাসিনা জাকারিয়া বেলা বলেন, চসিকের শিক্ষা বিভাগে যে অব্যবস্থাপনা দেখেছেন আশা করি নব নির্বাচিত মেয়র অপ্রয়োজনীয় কলেজগুলো বন্ধ করে পার্শ্ববর্তী কলেজের সাথে একত্রীকরণ করে পরিচালনার ব্যবস্থা নিবেন। ভোরের কাগজ সম্পাদক শ্যামল দত্ত বলেন, প্রশাসক হিসেবে আপনি প্রমাণ করেছেন উদ্যোগী ও আন্তরিক হলে অল্প সময়েও ভাল কাজ করা যায়। বিজিএমইএ নেতা এম ছালাম বলেন, আপনার দেখানো পথ অনুসরণ করলে নব নির্বাচিত মেয়রও সফল হবেন। আকরাম খান বলেন, নতুন নির্বাচিত মেয়রসহ সব মহলের নগরীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠগুলোকে খেলার উপযোগী করার উদ্যোগ নিতে বলেন। তিনি প্রয়োজনে নগরীর খেলার মাঠের সংস্কারে সরকারি সহয়তাসহ, বাফুফে ও বিসিবি থেকে উন্নয়নে সহযোগিতা করা যায় বলে ঊল্লেখ করেন। বন্দরের সাবেক কর্মকর্তা কমোডর জোবায়ের বলেন, পরামর্শক কমিটির সদস্যরা সোচ্চার ছিল বলে নগরীতে প্রশাসকের দায়িত্বকালে দৃশ্যমান পরিবর্তন হয়েছে। প্রকৌশলী প্রবীর সেন বলেন, প্রশাসক স্বল্প সময়ে অনেকটাই সফল। স্থপতি আশিক ইমরান বলেন, সুজন হাতে কলমে দেখিয়েছেন কিভাবে কাজ করতে হয়। আমরা চাই আগামীতেও তাঁর নেতৃত্বে চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলো চিহ্নিত করে রক্ষা করার চেষ্টা করতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *