মোঃ আবু তৈয়ব. হাটহাজারী (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি :

শুক্রবার (৯ এপ্রিল) নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রযুক্তিকর্মীর মাধ্যমে ফাঁস হওয়া এসব তথ্য সাংবাদিকদের হাতে আসে।

সম্প্রতি ৩৮ লাখ বাংলাদেশিসহ বিশ্বের ১০৬টি দেশের ৫৩ কোটি ৩০ লাখ ফেসবুক ব্যবহারকারীর তথ্য ফাঁসের ঘটনা ঘটেছে। গত ৩ এপ্রিল বিজনেস ইনসাইডার এ তথ্য সর্বপ্রথম প্রকাশ করে বলে রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে জানানো হয়।

তথ্য ফাঁস হওয়ার এ তালিকায় নিজ প্রোফাইলে ‘University of Chittagong’ উল্লেখ থাকা এক হাজার ২৬৪ ফেসবুক ব্যবহারকারী রয়েছেন।

এছাড়া ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়’ বা ‘University of Chittagong’ কি-ওয়ার্ড উল্লেখ না থাকা একাউন্টও এ তালিকায় রয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ব্যবহারকারীর গোপন নম্বর, ঠিকানা, জন্ম তারিখ, ইমেইল ঠিকানা, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনে সংশ্লিষ্টতার তথ্যসহ ব্যক্তিগত কিছু তথ্য প্রকাশ করেছে এ হ্যাকিং প্ল্যাটফর্মটি।

ফেসবুকের বরাত দিয়ে বার্তা সংস্থা রয়টার্স গত বুধবার (৭ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে জানায়, ফাঁস হওয়া তথ্যের মধ্যে আর্থিক তথ্য, স্বাস্থ্য সম্পর্কিত তথ্য বা পাসওয়ার্ড নেই। তবে এ তথ্য হ্যাক বা অন্যান্য অপব্যবহারের জন্য সরবরাহ করা হতে পারে।

প্রযুক্তিবিদরা বলছেন, এভাবে তথ্য ফাঁস হওয়ার দায়ভার অবশ্যই ফেসবুক কর্তৃপক্ষকে নিতে হবে। এছাড়া তথ্য ফাঁস হওয়ার পেছনে ব্যবহারকারীর অসাবধানতাও থাকে। না জেনেই আমরা নানা ধরনের মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন ব্যবহার করি, যেগুলোতে প্রাইভেসি একসেস দিয়ে থাকি। ফলে তথ্য সহজেই থার্ড পার্টির কাছে চলে যায়।

চবির আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মোহাম্মদ খাইরুল ইসলাম বলেন, এভাবে তথ্য ফাঁস হওয়া ব্যবহারকারীদের জন্য অবশ্যই উদ্বেগের বিষয়। আমাদেরকে এ মাধ্যমগুলো ব্যবহারে আরো সচেতন হতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *