নিজস্ব প্রতিবেদক:
চাটমোহরে মন্ডপে মন্ডপে চলছে দুর্গাপ্রতিমা কাজ। প্রতিমা শিল্পীদের এখন যেন পলক ঘুরানোর সময় নেই। ক্ষীণ হয়ে গেছে রাতের ঘুমের সময়।

তারা অত্যান্ত ব্যস্ত সময় পার করছেন রঙ-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাকে সাজিয়ে তুলতে। তাদের এখন চিন্তা একটাই যথা সময়ে প্রতিমার কাজ শেষ করে আয়োজকদের বুঝিয়ে দেয়া।

এদিকে আয়োজকরাও মঞ্চ বানানোর কাজ নিমন্ত্রণপত্র বিতরণ ও সাজসজ্জার কাজসহ নানা কাজে ব্যস্ততার মধ্যে সময় পার করছেন বলে বলেন ।

পূজার দিন যতই ঘনিয়ে আসছে ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন প্রতিমা শিল্পীরা। মাটির কাজ শেষ করে এখন শুরু করেছেন রঙের কাজ। রঙ-তুলির আঁচড়ে প্রতিমাকে সাজিয়ে তুলতে রাতদিন কাজ করে যাচ্ছেন প্রতিমা শিল্পীরা। ক্ষীণ হয়ে গেছে রাতের ঘুমের সময় । অনেক প্রতিমা শিল্পী যথা সময়ে কাজ বুঝিয়ে দিতে বাড়তি কারিগর নিয়োগ করেছেন।

প্রতিমা তৈরির কারিগর বোঁথড় গ্রামের সত্যেন চক্রবতী জানান, সে ১৪ টা প্রতীমা নির্মাণ কাজ করছেন। সে আরো জানান বালুচর গ্রামের অরবিন্দু কুন্ডু ৫ টি, উপজেলার গুনাইগাছার মনোরঞ্জন পাল ৩ টি, বেলগাছির অমল পাল ২৯ টি প্রতীমা নির্মাণ কাজ করছেন।প্রতীমার আকার- আয়তন ফুট হিসাবে নির্মাণ মজুরী নির্ধারনপূর্বক মজুরী নিয়ে থাকেন তারা। প্রতিটি নিম্নে ৫,০০০ টাকা থেকে ২০,০০০ টাকার মধ্যে থাকে তাদের মজুরী।তবে প্রতীমাগুলো সাধারনত সাড়ে ৬ ফুট থেকে সাড়ে ১০ ফুট পর্যন্ত হয় বলে জানান। তিনি আরো জানান- বাঁশ,কাঠ,ছোন, খড়, মাটি,রং, কাপড়,সাঁজ- সজ্জার উপকরনসহ নানা কিছু প্রয়োজন হয়।

উপজেলা পূজা উদ্যাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক প্রবীর দত্ত চৈতন্য জানান,এ বছর চাটমোহর উপজেলার ৫৪টি মণ্ডপে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজা। গত বছর ছিল ৪৭টি। গত বছরে চেয়ে ৭টি মণ্ডপে বেশি দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে।

উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক অশোক চক্রবর্তী বলেন, মন্দিরে সরকারি নির্দেশনা মোতাবেক স্বাস্থ্যবিধি মেনে দুর্গোৎসব পালনের জন্য সব প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। শান্তিপূর্ণভাবে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপনের জন্য তিনি সকলের সহযোগিতা কামনা করেছেন।

Leave a Reply