আব্দুল জাহির মিয়া স্টাফ রিপোর্টার ঃ চুনারুঘাট(হবিগঞ্জ) প্রতিনিধিঃ চিমটিবিলখাস গ্রামে পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই করে পুলিশদের একটি ঘরে তালাবদ্ধ করে রাখে আসামীপক্ষের লোকজন। বুধবার রাত প্রায় সাড়ে ৯ টার সময় ঘটনাটি ঘটে উপজেলার আহম্মদাবাদ ইউনিয়নের চিমটিবিল সীমান্তের চিমটিবিলখাস গ্রামে। খবর পেয়ে চুনারুঘাট থানার ওসি এম আশারাফ ও তদন্তকারী ওসি চম্পক দামসহ বিপুল সংখ্যক পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে পুলিশ সদস্যদের আটকাবস্থা থেকে মুক্ত করে থানায় নিয়ে আসেন।
ওসি এম আশরাফ জানান, বুধবার রাতে এসআই আশিকুর রহমান এর নেতৃত্ব ৪ সদস্যের একটি দল চিমটিবিল গ্রামের মামদ আলীর পুত্র শিপনকে গ্রেপ্তার করতে মামদ আলীর বাড়িতে তল্লাশি পরিচালনা করে মাদক মামলার পলাতক আসামী শিপনকে আটক করে। পুলিশের উপস্থিতি দেখে মামদ আলী বাড়িতে ডাকাত পড়েছে বলে চিমটিবিল ক্যাম্পের বিজিবি জোয়ানদের ফোন দেয়। বিজিবি কয়েকজন সদস্য মামদ আলীর ঘরে উপস্থিত হয়। এরপর আটক শিপনের ছিনিয়ে স্বজনরা পুলিশের সাথে ধস্তাধস্তি করে শিপনকে ছিনিয়ে নিয়ে যায়। এসময় পুলিশের তিন সদস্য পাপ্পু গোয়ালা, উসমান গনি সুমন মিয়া ও শিপনের বাবা মামদ আলী আহত হন।
এক সময় দারোগাসহ চার পুলিশ সদস্যকে ঘরে তালাবদ্ধ করে শিপনের স্বজনরা । পুলিশকে আটকের ঘটনা উল্লেখ করে শিপনের ছোট ভাই স্বপন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেইসবুকে ছবি সহ স্ট্যাটাস দেয় ।
খবর পেয়ে ওসি এম আলী
আশরাফ অতিরিক্ত ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত পুলিশ সদস্যদের উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসেন। আহতদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

সীমান্ত এলাকায় আগে থেকেই শিপনের কর্মকাণ্ড নিয়ে নানান গুঞ্জন রয়েছে।
শিপন নিজেকে বিজিবি পরিচয় দিয়ে বিজিবির পোষাকে ঘুরাফেরা করা ছাড়াও নির্দোষ ব্যক্তিদের হুমকি-ধমকি, মারধর সহ মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর
অভিযোগ রয়েছে। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত পুলিশকে মারধর এবং অবরুদ্ধ করে রাখার ঘটনায় আহম্মদাবাদ ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সঞ্জু চৌধুরীর তথ্যমতে চুনারুঘাট থানা পুলিশ সাতজনকে আটক করে নিয়ে এসেছে থানায় নিয়ে এসেছে এবং মুল অভিযুক্ত আশা করি শিপনকে গ্রেপ্তার করতে পুলিশের অভিযান অব্যহত আছে বলে চেয়ারম্যান সঞ্জু চৌধুরী জানান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *