কত ভাষা

ম.ম.রবি ডাকুয়া

তোমাতে অনেক কিছু বলতে ইচ্ছে হয়,
না বলা কিছু কথা রোজ ভাষা পায়।
শরীর দেখানো লেখক সব নামবে রাস্তায়,
রূপের ভাষার আবৃত্তির কথা সাহিত্যিক।
প্রভাতফেরী ওদের,
চুপচাপ ভাষার বর্ণমালা বিনি সুতোয় গাথি।
আর ওইসব চোখের ভাষার সর্বআশা,
আর্তনাদ আর বিষাদ জাগায় হতাশা।
রোমান সংখ্যায় ভাষায় রোমাঞ্চকর,
ক্ষুধার পেটে আজ যারা ভাষা হীন,
ক্ষুরধার আর্তনাদ আর বিষাদ ভাষা।
তবু শরীরের ভাষা দেখে চমকে উঠি,
টুপটাপ ঝরে পড়া ভাষা কে মনে রাখে?
কিংবা ডাকে বসন্ত সাখে।
নিশিভর কুয়াশা জমে জাগে
শিশির ঝরা ভাষা।
কারো ভাষা আর্তনাদ কারো কান্না জড়িত বিষাদ,
নিস্বাদ ভাষা কে শুনতে চায়?
তবু আঁখিপটে কারো ভাষার ঘোলা জল,
তবু তোমাকে কাছে পাওয়ার ভাষা চঞ্চল।
ভাষার গভীর সন্ধিক্ষণে ,
না বলাই ভাষা যেখানে।
কত ভাষা
রাখে অনেক নাবলা কথা বলার প্রত্যাশা।

চুপ থাকাটা ভাষা
ম.ম.রবি ডাকুয়া

——————
চুপ থাকাটাই রাষ্ট্র ভাষা চাই।
বোবার কোন শত্রু নেই।
রক্তে বারেুদে মাখা
ভাষার অক্ষর লেখা।
ফেব্রুয়ারী মানে এখন শুধুই প্রভাতফেরী,
তার চেয়ে শুধু নির্বাক হয়ে ফিরি।
বুকের ভিতর সোরগোল পাকায় না বলা আর্তনাদ,
চারিদিকে বলতে না পারার বিষাধ।
ফেব্রুয়ারীর হুক্কা হুয়া পাশে থাকে বাকবাকুম,
আপনি পাশে থাকুন।
রাষ্ট্র ভাষা হবে শুধু চুপ চাপ,
বললে কথা শব্দ হবে পিঠে ধুপ ধাপ।
চুপ থাকাটাও এখন ভাষা নির্বাক,
চুপ থাকে তাই বিবেক।
অ,আ অক্ষরে এখন লেখা হয়
শুধু আহ্ উহ্ বানান লিখতেও ভয় ।

দূঃখ ভাষা
ম.ম.রবি ডাকুয়া

অ আ বর্ণমালা,উ আ শব্দ জ্বলা।
আমি দিলাম অগ্নি জ্বলা,
কেউ দিল ফুল,আর কেউ দিল মালা।
চাঁরিদিকে এখনো পায়না খেতে যারা,
রাত ভর দরিদ্রতা দেয় পাহারা।
কেউ রাত জেগে রয় উচ্চাভীলাষি,
কেউ ক্ষুধার্থ মানুষের দূঃখ পিয়াসী,
আজো আবেগে কেউ আত্মহারা,
কি ক্ষুধাতুর বস্ত্র হারা।
দূঃখ যে ভাষায় আসে,সেই সুর শুনে সুখ পরবাসে।
দূঃখ ভাষার বানান জানেনা যারা কেবলি নামতা গোনে,
অবিশ্বাসি চোখে যাবা বিশ্বাসের ভাষা শোনে।
এখনো ভাষা বলে,বিশ্বাস-অবিশ্বাসের দোলাচলে,
এখনো বেদীতে ফুল পড়ে,
যেদিকে অশ্রু ঝরে,সুশ্রসা পায়না।
এখনো ওরা ধান দিয়ে গোলা ভরে,
খেতে পায়না যারা গান দিয়ে গলা ভরে।
ভুখা পেটে যারা মাদল বাজায়।
দূঃখের ভাষা আছে যার নাম হতাশা।
জড়ানো কন্টোকো পথে আছে ভাষা ছড়ানো,

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *