বাবলু বাংলা রামগতি কমলনগর প্রতিনিধিঃ লক্ষ্মীপুর জেলার কমলনগর উপজেলা বাসীকে উপজেলা পরিষদের পক্ষ থেকে পবিত্র ঈদ- উল- ফিতরের শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়েছেন কমলনগর উপজেলা নির্বাহী অফিসার কামরুজ্জামান বিজয়

অদ্য (৮ এপ্রিল শনিবার) রিপোটার্স ক্লাবের সাংবাদিকদের সাথে মত বিনিময় কালে তিনি বলেন, ‘পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে আমি উপজেলা বাসীকে জানাই শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ “ঈদ মোবারক”। পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর উপলক্ষে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঈদ-উল-ফিতর মুসলমানদের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব। করোনা মহামারীর কারনে এবারের ঈদ-উল ফিতর একেবারে ভিন্নভাবে উদযাপিত করতে যাচ্ছি আমরা। কেউ কারো বাড়ীতের যাবেনা ঈদের দাওয়াত খেতে । নিজেরা ঘরে থেকেই ঈদ উদযাপন করতে হবে। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে কোথাও খোলা ময়দানে গনজামায়েত করা যাবেনা। স্ব্যাস্থ্য বিধি মেনে নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে মাস্ক পরে মসজিদে ঈদের নামাজ পড়ার জন্য বলা হয়েছে । তাই আমি সকলকে অনুরোধ করব সবাই নিরাপদ দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্য বিধি মেনে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করার জন্য। করোনা মোকাবেলায় জেলা প্রশাসন সকলকে সচেতনতা করতে সকলের মাঝে করোনা সামগ্রী পোঁছে দিতে নিরলস চেষ্টা অব্যহত রেখেছেন। আমি তাদের সু-স্ব্যাস্থ্য কামনা করছি এবং তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করছি। সেই সথে লক্ষ্মীপুরের মাননীয় জেলা প্রশাসক, মহোদয়ের

দিক নির্দেশনায় করোনার মাঝেও দিন রাত কঠোর প্ররিশ্রম করে যাচ্ছেন উপজেলা প্রশাসন তাই সকল আইন শৃংখলা বাহিনীর প্রতি ও আন্তরিক মোবারকবাদ জানাচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, মাসব্যাপী সিয়াম সাধনা ও আত্নসংযম পালনের পর অপার খুশি আর আনন্দের বার্তা নিয়ে আমাদের মাঝে সমাগত হয় পবিত্র ঈদুল ফিতর। দিনটি বড়ই আনন্দের, খুশির ।’ তিনি বলেন, ‘এ আনন্দ ছড়িয়ে পড়ে সবার মাঝে, গ্রামগঞ্জে, সারাবাংলায়, সারাবিশ্বে। শহরবাসী মানুষ শিকড়ের টানে ফিরে যান আপনজনের কাছে, মিলিত হয় আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে। এ দিন সব শ্রেণি-পেশার মানুষ এক কাতারে শামিল হন এবং ঈদের আনন্দকে ভাগাভাগি করে নেন

তিনি আরো বলেন, ‘ঈদ সবার মধ্যে গড়ে তোলে সৌহার্দ্য সম্প্রীতি ও ঐক্যের বন্ধন । ঈদ-উল-ফিতরের শিক্ষা সবার মাঝে ছড়িয়ে পড়ুক, গড়ে উঠুক সমৃদ্ধ বাংলাদেশ— এ প্রত্যাশা করি ।’ তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। আবহমানকাল থেকে এখানে সব ধরনের মানুষ মিলেমিশে বসবাস করছে । এই সম্প্রীতি আমাদের জাতীয় ঐতিহ্য ।

তিনি আরও বলেন ,‘ইসলাম শান্তি ও কল্যাণের ধর্ম । এখানে হিংসা-বিদ্বেষ, হানাহানির কোনও স্থান নেই। মানবিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক সহাবস্থান, পরমসহিষ্ণুতা ও সাম্যসহ বিশ্বজনীন কল্যাণকে ইসলাম ধারণ করে। ’তিনি আরও বলেন, ‘ইসলামের এই সুমহান বার্তা ও আদর্শ সবার মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে । ইসলামের মর্মার্থ ও অন্তনিহত তাৎপর্য মানবতার মুক্তির দিশারি হিসেবে দিকে দিকে ছড়িয়ে পড়ুক, বিশ্ব ভরে উঠুক শান্তি আর সৌহার্দ্যে-পবিত্র ঈদ-উল-ফিতরে এ প্রত্যাশা করি । এই করোনা ভাইরাস মহামারি থেকে দেশ বাসিকে হেফাজত করুন আল্লাহর কাছে এই দোয়া করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *