ম.ম.রবি ডাকুয়াঃ
পৃথিবীর ষাট শতাংশ নারী সহিংসতার জন্যে নারী নিজেই দায়ি।প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষ ভাবে যেভাবেই হোক নারী নিজেই নিজের নির্বুদ্ধিতার জন্যে নিজের বিপদ নিজেই ডেকে আনে।পরে দায়ি করে সমাজ ,আইন তথা পুরুষের মন মানসিকতাকে।এক জন পুরুষ নারীর মন যোগাতে অনেক কিছু করলেও সে সব শুধু ভোগের লালসা মাত্র।একজন পুরুষের কাছে সব চেয়ে লোভনীয় বস্তু হচ্ছে নারীর অঙ্গ সেটা নারীরা জেনেও তাদের বিভিন্ন অঙ্গ নানা ভাবে প্রদর্শন করে এর এক মাত্র কারন পুরুষের কাছে নিজেকে উপস্থাপন করে দৃষ্টি কাড়া ।ঘুরে ফিরে বিষয়টা দাড়ায় পুরুষকে লোভে লিপ্ত করে তোলা ।এবং লোলুপ দৃষ্টিতে তাকাতে উদ্ভুদ্ধ করা।লোভনীয় খাবার সামনে মেলে ধরলে জিহবায় তৃপ্ত হবার রসে যেমন ভরে ওঠে তখন দৃষ্টি ভঙ্গির কিছুই করা থাকেনা।এবার আপনি বাইরের দেশের উদাহরন টানবেন তারা ফ্রি সেক্সের দেশ তাদের শরীরে কোন অংশে টাস বা স্পর্শ লাগলে তারা পায়ের চটি খুলে হাতে নেয় না পিটাতে, তারা তো উভয়ে সরি বলে সরে পড়ে।আর যাকে যার ভাল লাগে তোকে প্রস্তাব করে ।সম্মতি না দিলে সেটা যার যার ব্যক্তিগত ব্যপার।সেখানে যৌন কাজে লিপ্ত থাকার দায়ে হাতে নাতে কেউ ধরে না পত্রিকার পাতায় ও আসে না।
সাম্প্রতীক এক গবেষনায় দেখা গেছে নারী অবাদ বিচরন,নির্বুদ্ধিতা এমনকী বন্ধু নির্বাচন ভুল সিদ্ধান্তের কারনে নারী নিজেই নিজের বিপদে পা দিচ্ছে।অনেকে এটাকে সমঅধিকার বা নারী স্বাধীনতা বললেও আসলে তা নয়।এতে বোঝা যাচ্ছে নারী ঘটিত অপরাধে ষাট শতাংশ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে নারী নিজেই দায়ি।আরো বিচক্ষনতা ও জীবনের সিদ্ধান্ত ভেবে নেওয়াতে এসব সমস্যা তরইন্বত করতে পারে।
আবার ধরুন কোন লোভনিয় খাবার যদি প্যকেটের উপর থেকে দেখা যায় বা অনুমান আন্দাজ করা যায় তবেতো লোভ আরো বেড়ে যায়।তদ্রুপ নারীর শরীর যদি আটষাট পোষাকে মোড়া থাকে সব অঙ্গ ভঙ্গি যদি বাইরে থেকে প্রকাশ পায় তবে সেটা পুরুষের জন্যে লোভনীয় হয়ে ওঠে। গলা বাজি করে করে কখনো সত্যকে মিথ্যা আর অধিকার বলে চিল্লায়ে লাভ নেই।
সম্প্রতি ভারতের এক আদালতে নারীর বিশেষ অঙ্গে শরীরে এমন কী স্তনে কাপড়ের উপর থেকে হাত দেয়াকে যৌন নিগ্রহ হিসেবে ধারা হবেনা রায় দিলে সামাজিক বিভিন্ন যোগাযোগ মাধ্যামে এ নিয়ে বেশ আলোচনা করা হচ্ছে।বিষয়টা যে ভাবেই দেখেন লোভনিয় জিনিস ঢেকে রাখার বিষয়টি এতদিন পর স্বাস্থ্যকর তার প্রমান সামনে আসতে শুরু করেছে।আপনি সংবেদনশীর স্পর্শকাতর এসব জিনিস প্রদর্শন করে দৃষ্টিভঙ্গি দিয়ে কত চোখকে ঢাকতে বলবেন ?দৃষ্টি ভঙ্গি কী আপনার চেয়ে ও বোকা?
পুরুষ শরীরের কতটা স্থান খোলা রেখে চলে ।আর নারীর কতটা খোলা রেখে চলে। এসব নিয়ে ভাবার যথেষ্ট সময় এসে গেছে।তাহলে বুঝতে হবে সমাজে কাদের লজ্জা কত ।আর কে নিজেকে পণ্য হিসেবে বাজারে উপস্থাপন করতে চায়।দেশে আইন প্রনয়ণ হওয়া দরকার সার্বিক মঙ্গলময় এবং হাজার বছরের টেকসই।কারো মন মত আইন ভিন্ন ভিন্ন হতে হবে তা নয়।হাজার মানুষের হাজার মত থাকবে তাই বলে আপনার আমার মত যে সর্বাধিক সঠিক এটা ভাবার অবকাশ নেই।আপনি উদ্ধুত পরিস্থিতির সাথে মানিয়ে চলতে না পারলে সেই সব পরিবেশ এড়িয়ে চলা ভালো।আপনার নির্বুদ্ধিতার জন্যে হৈ চৈ করে সমাজকে শব্দ দূষনে ফেলতে পারেন না।প্রত্যেককে সামাজিকতা শিখতে হবে বুঝতে হবে এবং তা মানতে হবে।আপনি একা একার মত দিয়ে সমাজকে বদলে দেবেন বা আপনার আশেপাশের সবাই অসামাজিক তা নয়।অনেক সময় আপনার শালীন পোষাকে সবাই সম্মান করতে বাধ্য।আপনি এমন পোষাক পরে সন্তানের সামনে নিজেকে উপস্থাপন করলেন যে তার বন্ধু বন্ধবের কাছে সমালোচনার স্বীকার এমনকী হয়রানীর শিকার ও হলেন।এখানে আপনারা উাভয়েই অসামাজিক।
তার পর নারীর প্রতি সহিংসতা বিষয় ,আজকাল কোন নারীর ফেসবুকের কোন ছবিতে লাভ রিয়েক্ট দিলে তাকে নিয়ে ফেসবুকের টাইমলাইনে পোষ্ট দিয়ে তার অবস্থা নাস্তানাবুদ করা হয়।তার পর শুরু হয় তাতে কমেন্ট আর তাকে নিগৃহীত করা ।তদ্রুপ নারী অগ্রাধিকার আইনের কারনে পুরুষকে যে কোন নারী চাইলেই হ্যরেজ করতে পারে ।মিথ্যা মামলা হলেও এমন ধারা আছে যা সংযুক্ত করলে ছয় মাসের আসামীর জামিনতো দূরে থাক কোন আইনজীবিও মামলা নিতে চায়না ।তাহলে পুরুষকে নারীর প্রতি সহিংস করে তুলছে কে দূর্বল আইন আর নারীর নিচু মন মানসিকতা।
আবার কিছু নারীবাদী পুরুষ আছে লম্পট স্বভাবের নারীদের সাথে মিশে সারাদিন সকল কাজ কর্ম আর সামাজিক আচার অনুষ্ঠানে নারীকে নানান ভাবে খোলা মেলা উপস্থাপন করে থাকে এরাই নারীর সাজাজিক ,শারিরীক ও মানসিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ করে থাকে ।এদের সংখ্যা নেহত কম নয়।এরা সারাক্ষন নারীর সাথে সকল কাজে ঢলাঢলি সব কাজে এদের পাশে নারী রাখা চাই এদের দ্বারা নারী বেশী ক্ষতিগ্রস্থ হয়ে কাউকে বলতেও পারেনা ক্ষতিগ্রস্থ নারীরা।মাত্রা বেড়ে গেলে তখন তা সবার সামনে চলে আসে।এই সব পুরুষের আসকারা পেয়ে নারী ও এই ধরনের নারীর আসকারাতে পুরুষ সমাজের বদনাম হচ্ছে।
আপনাকে বুঝতে হবে নারীবাদী আর পুরুষবাদী হয়ে কোন লাভ নেই।সমাজ বদলাতে হবে আপনার মন মানসিকতা দিয়ে।উলঙ্গ হয়ে নারী পুরুষ গলাধরে রাস্তায় শুয়ে মানসিকতার পরিবর্তন করা যাবেনা ।সৃষ্টির আদিকাল থেকে নারী পুরুষের শরীর উত্তাপ কাম আসক্ততা বিদ্যমান এটা মানসিকতা দিয়ে বৃথা চেষ্টা করা বেকামী মাত্র।ধরুন কোন এলাকায় বন্যায় শহর রক্ষা বাঁধ ভেঙ্গে গেছে তখনকী আপনি মানসিকতা দিয়ে ওটা সামাল দেবেন যে যাক বাঁধ ভেঙ্গেছে কদিন না দেখে থাকি।নাকি বাঁধ নির্মান করবেন।নারীর রূপ শরীর ও তেমন ভেঙ্গে যাওয়া বাঁধের মত ।যত আটকে রাখবেন ততই ভালো।অপরেও ভালো থাকবে নিজেও ভাল থাকবেন।
সমাজে সব সময় ভাবতে হবে অন্যকে ভালো রাখলে নিজেও ভালো থাকা যায়।অন্যের উপর আক্রমনাত্বক হয়ে সমাজ ভাল রাখা যায়না। অন্যকে নাজেহাল করে নিজে ভাল থাকা যায়না।নিজে সাধু সেজে অন্যেকে চোর প্রমানিত করতে গিয়ে নিজের ভিতরগত কুলুষতা বেরিয়ে আসতে পারে যখন তখন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *