মো:আজিজুর বিশ্বাস,লোহাগড়া (নড়াইল) প্রতিনিধি:

পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে আজ মঙ্গলবার সকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়না তদন্তের জন্য পাঠিয়েছে।

শারমিনের বাবা ও দাদীর সাথে কথা বলে জানা যায়,উপজেলার মশাঘুনি গ্রামের লিটন শেখের মেয়ে শারমিন খানম (২২) এর সাথে প্রায় ৩ মাস পুর্বে একই উপজেলার ইতনা গ্রামের বাবলু শেখের ছেলে রিকাত শেখ (২৬) এর সাথে বিবাহ্ হয়।
বিয়ের পর থেকে তাদের সংসার সুখেই কাটছিল,কিন্তু শারমিনের স্বামীসহ তার পরিবারের সদস্যরা পরস্পর যোগসাজসে শারমিনের ওপর শারিরীক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল।
এরই জের ধরে গত (১৮জানুয়ারি) সোমবার শারমিন ও তার স্বামীর কথা কাটাকাটি হয় আমরা শুনেছি।

এদিকে ওই ঘটনার পরে সেখানে ইতনা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান মনির,বর্তমান নির্বাচনী প্রচারণার কাজে বিকাল ৪ টার দিকে রিকাতদের বাড়িতে গিয়ে শারমিনের শাশুড়ির সাথে কথা বলে সে তখন গরুর খড় কাটছিলো।

এসময় মনিরুজ্জামান তাদের মোবাইল নাম্বার চাই, শারমিনের শাশুড়ি বলেন তার ছেলের বউয়ের থেকে নিতে।তখন মনিরুজ্জামান শারমিনের থাকার ঘরে গিয়ে ডাকতে থাকে ডাকে সাড়া না পেয়ে শারমিনের শাশুড়ি কে আসতে বলে তখন শারমিনের শাশুড়ি ও আশপাশের লোকজন এসে ঘরের দরজা আটকানো দেখে এবং সাফল দিয়ে দরজা তখন ভেঙে ফেলে ঘরে ঢুকে শারমিন কে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখতে পান। তখন মনিরুজ্জামান লোহাগড়া থানা ও শারমিনের পরিবারকে জানান বলে মুঠোফোনে সাংবাদিকদের এই তথ্য দেন।

খবর পেয়ে লোহাগড়া থানার একদল পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে রাতেই লাশ থানায় নিয়ে আসেন এবং মঙ্গলবার সকালে নড়াইল সদর হাসপাতাল মর্গে নিহতের ময়না তদন্তের কাজ সম্পন্ন করেন।

এদিকে নিহত শারমিনের পিতা লিটন শেখ অভিযোগ করে বলেন,আমার মোয়ে আমার বাড়ি থেকে বেড়িয়ে দুইদিন আগে শ্বশুর বাড়িতে যাই। কেনো সে মরবে,আমার জামাই রিকাত শেখসহ তার ও পরিবারের সদস্যরা আমার মেয়ে শারমিন কে মেরে ফেলেছে। আমার মেয়ে মরা খবর আমাদের দেই নাই, আমি এর বিচার চাই।

লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ আশিকুর রহমান বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলেও জানান।

Leave a Reply