গোলাম মোস্তফা ফুলপুর প্রতিনিধি:

ফুলপুর উপজেলার পয়ারী ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও কালিবাড়ীঘাট গ্রামে ঝুঁকি নিয়ে বাঁশের সাঁকো দিয়ে উঠে নদী পারাপারের ভোগান্তি পোহাচ্ছেন ৭ গ্রামের জনসাধারণ।

গুপ্তেরগাঁও কালিবাড়ীঘাটে সংলগ্ন ব্রক্ষপুত্রের খড়িয়া নদীর উপর স্থানীয়দের উদ্যোগে নির্মিত হয়েছে প্রায় ১৬০ ফুট দৈঘ্য বাঁশের সাঁকো সেতু।প্রায় ১৪ বছর ধরে বাঁশের সাঁকো পাড়ি দিয়েই আসছে ৭ গ্রামের প্রায় ১৫ থেকে ২০ হাজার মানুষ।

এলাকাবাসী স্থানীয় উদ্যোগে প্রায় ১৪ বছর আগে নদীর উপর ১৬০ ফুট দৈঘ্য লম্বা একটি বাঁশের সেতু নির্মান করেন।তখন থেকে নদীর পাড়ি দিয়ে ৭ গ্রামের একমাত্র ভরসা এই বাঁশের সাঁকো।

গুপ্তেরগাঁও কালিবাড়ীঘাটে একটি সেতু না থাকার কারনে উপজেলা সদরে যাতায়াতের জনগনের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,মাধ্যমিক বিদ্যালয় কলেজসহ কয়েক হাজার ছাত্রছাত্রী ও সাধারণ মানুষ বর্ষাকালে নড়বড়ে বাঁশের সাঁকোই দিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় যাতায়াত করে থাকে।

গুপ্তেরগাঁও গ্রামের মোঃ নুরুল ইসলাম বলেন,এখানে একটি ব্রিজ নির্মান না হওয়ায় এলাকার লোকজন ফুলপুর সদরে সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ করতে পারচ্ছে না।এজন্য তাদের উৎপাদিত বিভিন্ন প্রকার কৃষিপণ্য শহরে বাজারেজাত করেতে দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

পয়ারী ইউনিয়নের গুপ্তেরগাঁও গ্রামের আনারুল হক জানান, কৃষকরা তাদের ন্যায্য দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে ও শুকনো মৌসুমে নদীতে পানি কম থাকায় ছেলে মেয়েরা ঝুকি নিয়ে বাঁশের সেতু দিয়ে বিদ্যালয় আসতে পারলে ও বর্ষা মৌসুমে বেশি ঝুকি নিয়ে পারাপার হতে হয়।এলাকাবাসী দাবি নদীর উপর ব্রিজ নির্মান করা হলে লোকজনের উৎপাদিত পণ্য উপজেলা সদরে নিয়ে যাওয়া এবং উপজেলা সদরে থেকে কোনো পণ্য নিয়ে আসা সহজ হত।

গুপ্তেরগাঁও গ্রামের আব্দুল ছালাম জানান,বঙ্গবন্ধুর কন্যা দেশরত্ব মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নানা উন্নয়ন মূল্যক কাজ করে আসছেন।

বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় গৃহায়ন গণপূর্ত প্রতিমন্ত্রী জনাব শরীফ আহমেদ এমপি যদি আমাদের এই বাঁশের সাঁকো সেতু দিকে একটু নজর দিলে অনেক উপকার হত।এ বিষয়ে ৬নং পয়ারী ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ মফিদুল ইসলাম কে প্রশ্ন করলে তিনি জানান, গুপ্তেরগাঁও কালিবাড়ীঘাটে ব্রিজ স্থাপনের জন্য কর্তৃপক্ষকে অবগত করা হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *