বাহার উদ্দিন, ফুলপুর (ময়মনসিংহ) জেলা প্রতিনিধি:

ময়মনসিংহের ফুলপুর উপজেলায় ২০২১ খ্রিঃ সদর ইউনিয়নের ঠাকুরবাখাই, ছনধরার রামসোনা, ভাইটকান্দির সুতারকান্দি, ৬ নং পয়ারী ইউনিয়নের পয়ারী ঐতিহ্য শ্রী সাদন বাবুর ভাড়ি ছিল যাহা বর্তমানে চৌধুরী বাড়ি নামে পরিচিত, বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন ফুলপুর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা জনাব শীতেষ চন্দ্র সরকার ইউএনও মহোদয় । ১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমিসমূহ সংরক্ষণ ও স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ (২য় পর্যায়) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ও উপসচিব জনাব ডাঃ দুলাল কৃষ্ণ রায় মহোদয় উক্ত স্থানসমূহ পরিদর্শন করেন। অতি অল্প দিনের মধ্যেই নির্মাণ কাজ শুরু হবে মর্মে জানান নির্বাহী কর্মকর্তা ও উপসচিব।

১৯৭১-এ মহান মুক্তিযুদ্ধ চলাকালে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী কর্তৃক গণহত্যার জন্য ব্যবহৃত বধ্যভূমিসমূহ ইতিহাসের পাতায় বিদ্যমান রয়েছে যাহা বাংলাদেশের প্রত্যেক স্থানে বধ্যভূমি নামে পরিচিত হবে তা জাতি উপলব্ধি করতে পারবে এবং জানবে” History is the geographical position of civilization ”

ইতিমধ্যে ভাইটকান্দি ইউনিয়নে নীলগঞ্জ বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ সরকারের প্রকল্প পরিচালক ও উপ-সচিব ডাঃ দুলাল কৃষ্ণ রায়। পরিদর্শনকালে তিনি সকলের সামনে বলেন, উক্ত বধ্যভূমিতে বর্তমান যে জায়গা নির্ধারণ করা আছে তার বাহিরে আরও ৪ শতাংশ জমি ক্রয় করে মোট ১১ শতাংশ জমিতে ১৭ লক্ষ টাকা ব্যায়ে নতুন করে বধ্যভূমি সংস্করণ করা হবে। তিনি আরো বলেন অতিরিক্ত যে জমি ক্রয় করা হবে তার তিনগুণ দাম দিয়ে জমি ক্রয় করা হবে এবং উক্ত বধ্যভূমিতে থাকা গাছগুলো মালিক থেকে ক্রয় করে গাছ নিধনেরও নির্দেশ দেন উপজেলা প্রশাসনকে ।
পরিদর্শনকালে সাথে ছিলেন, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শীতেষ চন্দ্র সরকার, ভাইটকান্দি ইউপি চেয়ারম্যান আলাউদ্দিন আহমেদ।

ভাইটকান্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ আহ্বায়ক মোঃ আলী সরকার স্বপন, যুগ্ম আহ্বায়ক একে এম আবুল কাশেম, বীর মুক্তি যোদ্বা আমজাদ আলী, ইউনিয়নের সকল ইউপি সদস্য সহ অত্র এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
আরো পরিদর্শন করেন ফুলপুর সদর ইউনিয়নের ঠাকুরবাখাই, ছনধরার রামসোনা, ভাইটকান্দির সুতারকান্দি ও বধ্যভূমি পরিদর্শন করেন।যুগ থেকে যুগান্তরে বাংলাদেশের নতুন প্রজন্মের প্রজাতিরা দেখবে এবং তা থেকে জানতে পারবে মুক্তি যোদ্ধার ইতিহাস ও সন্ধান।

Leave a Reply