মিরু হাসান বাপ্পী
আদমদিঘী (বগুড়া) প্রতিনিধিঃ

বগুড়ায় আলোচিত ছাত্রলীগের যুগ্ম- সাধারণ সম্পাদক তাকবির ইসলাম খান হত্যা মামলার মূল আসামীসহ সকল সকল সহযোগীদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানানো হয়েছে। রোববার সকালে শহরের সাতমাথায় এলাকাবাসীর আয়োজনে এক মানববন্ধনে এ দাবি জানানো হয়। এছাড়া হত্যা মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে ফাসির রায় কার্যকর করার দাবিও জানায় বক্তারা

এসময় উপস্থিত ছিলেন নিহত তাকবির ইসলাম খানের মা আফরোজা বেগম এবং বাবা জহুরুল ইসলাম খান দুলালসহ শতাধিক এলাকাবাসী।

মানববন্ধনে নিহত তাকবিরের মা আফরোজা বেগম বলেন, আমি আমার ছেলেকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শে চলার অনুমতি দিয়েছিলাম কিন্তু সে নির্মমভাবে প্রকাশ্য হত্যাকান্ডের শিকার হয়েছে। তাই প্রশাসনের কাছে দ্রুত তার ছেলে হত্যার বিচার দাবি করেন।

এর আগে গত ১১ মার্চ বগুড়ার ধুনটে মোটরসাইকেলে ধাক্কা লাগা নিয়ে তাকবির ইসলাম খানের সঙ্গে জেলা ছাত্রলীগ সদস্য জাহিদ হাসানের বাকবিতণ্ডা হয়। এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা আবদুর রউফ ও তার লোকজন জাহিদ হাসানের পক্ষ নেন। রাত ৯টার দিকে শহরের সাতমাথায় বাকবিতণ্ডার একপর্যায়ে রউফ ও তার পক্ষের নেতাকর্মীরা তাকবির ও তার সমর্থকদের ওপর হামলা করলে দু’পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়। এ সময় মারপিট ও ছুরিকাঘাতে তাকবির গুরুতর আহত হন। তাকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। উভয়পক্ষের আহত হন আট জন। চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাকবির ১৬ মার্চ বিকাল ৩টার দিকে আইসিইউতে মারা যান। এর আগে ১৩ মার্চ তাকবিরের মা শহরের মালতিনগর দক্ষিণপাড়ার জহুরুল ইসলাম দুলালের স্ত্রী আফরোজা ইসলাম সদর থানায় ছাত্রলীগ সরকারি আজিজুল হক কলেজ শাখার বহিষ্কৃত সাধারণ সম্পাদক আবদুর রউফকে প্রধান আসামি করে সাত জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৩৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। নামীয় অন্য আসামিরা হলো– জাহিদ হাসান, আনোয়ার হোসেন, মো. তারেক, বিধান চন্দ্র মোহন্ত, মো. নিশাদ ও মো. আরমান।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *