মিরু হাসান বাপ্পী
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বগুড়ার নন্দীগ্রামে ৫ বছর পর কবরস্থান থেকে নিহত সাংবাদিক শফিউল আলম বিপুলের লাশ উত্তোলন করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১১ টারদিকে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের উপস্থিতিতে থানা পুলিশ উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষণ গ্রামে নিহত সাংবাদিক শফিউল আলম বিপুলের পারিবারিক কবরস্থান থেকে এ লাশ উত্তোলন করেন।

নিহত সাংবাদিক শফিউল আলম বিপুল উপজেলার ভাটগ্রাম ইউনিয়নের বর্ষণ গ্রামের মোকছেদ আলীর ছেলে। তিনি দৈনিক ইত্তেফাক ও দৈনিক সকালের আনন্দ পত্রিকার নন্দীগ্রাম উপজেলা প্রতিনিধি ছিলেন।

নিহত সাংবাদিক শফিউল আলম বিপুলকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করার অভিযোগ এনে তার ছোট ভাই রফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে গত বছরের ৬ ডিসেম্বর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলা দায়ের করে। আদালতের নির্দেশে মামলাটি গত ৯ সেপ্টেম্বর থানায় রেকর্ডভূক্ত হয়।

এরপর আদালতের নির্দেশে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রুপম দাসের উপস্থিতিতে থানা পুলিশ তার লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

এ মামলার আসামিরা করা হয়েছে, উপজেলার বর্ষণ গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে আমিনুল ইসলাম জুয়েল (৩৫), আব্দুল মান্নান (৩৮), নছির উদ্দিনের ছেলে মোজাম্মেল হক (৫৫), আব্দুল মজিদ (৫০), আব্দুল মজিদের ছেলে মানিক উদ্দিন (২৭), ইসমাইল হোসেনের ছেলে খোকন হোসেন (৪৫), কোলদিঘী গ্রামের আব্দুল জোব্বারের ছেলে সাইদুল ইসলাম (৪৫) ও বরেন্দ্র পাকুরিয়াপাড়া গ্রামের আবু বক্কর সিদ্দিকের ছেলে আবু সাঈদ (৩৫)।

নিহত সাংবাদিক শফিউল আলম বিপুলের ছোট ভাই কামরুল হাসান বলেন, আসামিরা পরিকল্পিতভাবে আমার ভাইকে হত্যা করেছে। ঘটনার দিন আমার ভাইয়ের মোটরসাইকেলের পিছনে বসে থাকা জুয়ের ভাইয়ের মাথায় আঘাত করে। এরপর ওই হত্যার ঘটনাটি মোটরসাইকেল দুর্ঘটনা বলে প্রচার করে। আমরা হত্যা মামলার আসামিদের শাস্তি চাই।

নন্দীগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Leave a Reply