মিরু হাসান বাপ্পী
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি:

বগুড়ার কানুছগাড়ীতে পূর্বপরিচয় না থাকলেও তুচ্ছ ঘটনায় খুন হন কারচালক খাইরুল ইসলাম সুমন(২৮)। এ ঘটনার প্রধান আসামী মুহাম্মদ বাবুকে গত শনিবার মধ্যরাতে কাহালু উপজেলার মুরইল থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারকৃত বাবু গাবতলী উপজেলার সোনারায় গ্রামের আব্দুস সামাদের ছেলে। তিনি বগুড়া শহরের কানুছগাড়ি এলাকায় ভাড়া বাসায় বসবাস করেন। সোমবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে আয়োজিত প্রেস ব্রিফ্রিংয়ে পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী এসব তথ্য তুলে ধরেন।

রংপুর শহরের সাতগাড়া মিস্ত্রীপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে খায়রুল ইসলাম সুমনকে ছুরিকাঘাতে খুন করা হয়।

প্রেস ব্রিফিংএ পুলিশ সুপার গ্রেফতারকৃত বাবুর বরাত দিয়ে জানান, ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ১০ টার দিকে কানুছগাড়ি এলাকায় এক বন্ধুকে নিয়ে আড্ডা দিতে যান রংপুর শহরের সাতগাড়া মিস্ত্রীপাড়ার আব্দুল খালেকের ছেলে সুমন। সেখানে একটি গ্যারেজে প্রসাব করতে গেলে সেখানে দাঁড়িয়ে প্রসাব করায় বাবু তাকে গালিগালাজ করেন। এ নিয়ে তাদের মধ্যে তর্ক বিতর্ক হয়। একপর্যায় সুমন সড়কের পাশে রাখা তার প্রাইভেটকারে বসে থাকেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই বাবু তার এক সহযোগীকে সাথে নিয়ে প্রাইভেট কারের গ্লাস ভেঙে সুমনের হাতে ছুরিকাঘাত করেন।

সুমন গাড়ি থেকে নেমে দৌড়ে একটি ফার্মেসিতে আশ্রয় নিলে সেখানে প্রবেশ করেও সুমনকে উপুর্যপরী ছুরিকাঘাত করে তারা পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

পুলিশ সুপার জানান, আসামী বাবু রোববার বিকেলে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দীর পর তাকে কারাগারে প্রেরণ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে এ ঘটনায় জড়িত অন্য আসামীদের নাম এখনি প্রকাশ করা হচ্ছে না।

Leave a Reply