মোঃ জসিম মিয়া চুনারুঘাট প্রতিনিধিঃ
শুনে অভাক হলেও সত্য চুনারুঘাট উপজেলা ছাত্রলীগ নেতা মোঃ সায়েম তালুকদারে
উদ্যোগে বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবারের নামে গরু কোরবানী দেয়া হয়েছে। বঙ্গবন্ধু ও তাঁর পরিবার জন্য দোয়া ও সওয়াব অর্জনের পাশাপাশি গরীব ও অসহায় মানুষের মুখে গরুর গোস্ত তোলে দিতে ব্যাতিক্রমি এই উদ্যোগ। ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষথেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ শিরোনামে গরুর গোস্তের পাশাপাশি ঈদ সামগ্রীও বিতরণ করা হয়েছে।

এছাড়া বিশ্বব্যাপী করোনা ভাইরাসের শুরু লগ্ন থেকেই জনসচেতনামূলক ভাবে লিফলেট, মাইকিং, হ্যান্ড
স্যানিটাইজার, মাস্ক ও ত্রাণ বিতরণ করে আসছেন ছাত্রলীগ এই নেতা। করোনা ভাইরাসের আক্রমণে
দেশের অর্থনীতি যখন দূর্বল হয়ে পড়েছিল। সাধারণ মানুষ যখন খাবার অভাবে ভোগছিল তখন ছাত্রনেতা মোঃ সায়েম তালুকদার মানুষের দরজায় ত্রান সামগ্রী নিয়ে হাজির হয়েছেন রাতের আধাঁরে।

২০২০ সালের এসএসসি/দাখিল পরীক্ষার্থীরা চুনারুঘাট সরকারি কলেজে ভর্তির কালীন সায়েম তালুকদারের উদ্যোগে হেল্প ডেক্স দেয়া হয়। বিনা ফি’তে শিক্ষার্থীদের ভর্তি ফরমসহ সাময়িক সকল প্রকার সহযোগী করা হয়েছে।

বিশ্ব মহামারী করোনা ভাইরাস মধ্যে দিয়ে পালন হয়েছে মুসলিমদের রমজানের দুই বছর। আর এই দুই বছরেই অসহায়, গরীব, দুস্থ ও পথচারীদের জন্য ইফতার বিতরণ করেছেন নিজ উদ্যোগে। করোনা ভাইরাসের প্রভাবে মানুষ ঈদের আনন্দই ভূলে গেছে। নিজের জন্য চিন্তা না করে অসহায় গরীব মানুষের মুখে হাসি ফুটাতে ‘প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার’ শিরোনামে খাদ্যসহ ঈদ সামগ্রী বিতরণ করেছেন এই ছাত্রনেতা।

কোভিড-১৯ এর পরিস্থিতে কৃষক যখন মাঠ থেকে পাঁকা ধান ঘরে তোলতে পারছিল না টাকা/লোকের অভাবে। তখন বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ও বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী এডভোকেট মাহবুব আলীর নির্দেশে চুনারুঘাট উপজেলার বিভিন্ন স্থানে অসহায় কৃষকের ধান কেটে মাড়াই করে পাঁকা ধান ঘরে তোলে দিয়েছেন এই ছাত্রনেতা ও তার সহযোগীরা।

উপকারভোগী এক ছাত্রলীগ কর্মী জানান, দেশের এই দুঃসময়ে আমার পরিবার খাদ্যের অভাবগ্রস্থ অস্থায় ছাত্রলীগনেতা বড়ভাই সায়েম তালুকদার আমাদের ত্রাণ দিয়ে সহযোগিতা করায় আমি চিরকৃতজ্ঞ প্রকাশ করছি।

নিঃসন্তান উপকারভোগী এক বৃদ্ধা মহিলা জানান, করোনা ভাইরাসের শুরু থেকে খাদ্যসহ বিভিন্নভাবে নিজের ছেলের মতো পাশে থেকে আমাকে সাহায্য সহযোগী করেছে সায়েম তালুকদার। সার্বক্ষণিক খোঁজ খবর নিয়েছেন আমার। তিনি তার হাজার বছর বেঁচে থাকার জন্য দোয়া কামনা করেন৷

সরকারে নির্দেশনা স্বাস্থ্যবিধি মেনে অসহায় মানুষের পাশে যেভাবে আছেন সব সময় এই ভাবে থাকতে চান বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি আরো বলেন, মানবসেবায় এত আনন্দ এর আগে কখনো বুঝিনি। জীবনের শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত মানুষের পাশে থাকতে চাই।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *