ভ্রাম‍্যমান প্রতিনিধি :
রেলপথে আমদানি বাণিজ্যে বন্দর শুধু আয় করবে, কিন্তু উন্নয়নে খরচ করবে না এটা ঠিক নয়, প্রয়োজনে রেল বন্দরে সহযোগিতা করবে উল্লেখ করে বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. শামছুজ্জামান বলেছেন, রেলের পণ্য খালাসের জন্য প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়নে বন্দরকেও এগিয়ে আসতে হবে।
রোববার (১০ জানুয়ারি) দুপুরে বেনাপোল রেলস্টেশনে ৩ কোটি ৭০ লাখ টাকা ব্যায়ে গুডস ইয়ার্ড সম্প্রসারণ কাজের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন রেলের মহাপরিচালক।
এসময় তিনি বলেন, আপনারা যদি ভাবেন বন্দর থেকে যে টাকা আয় করবেন তা কেবল বন্দরের কোষাগারে জমা রাখবেন তা হয় না। বাণিজ্য সম্প্রসারণে আপনাদের কাজ করা উচিত। টাকা ব্যয় না করলে সরকারের বেশি রাজস্ব আসবে না।
বাংলাদেশ রেলওয়ের রাজশাহী পশ্চিম জোনের মহাব্যবস্থাপক মিহির কান্তি গুহ এর সভাপতিত্বে এসময় রেলওয়ে মহাপরিচালক আরো বলেন, পদ্মা সেতু চালু হলে বাণিজ্য প্রসারের বড় কেন্দ্রস্থল হবে বেনাপোল রেলপথ। বিষয়টির প্রতি গুরুত্ব দিয়ে পণ্য খালাসের সুবিধার্থে বন্দরের পাশ দিয়ে ৪টি রেল লাইন বসানো জরুরি। এতে ২৫ কোটি টাকা প্রয়োজন। তবে এ মুহূর্তে রেলের পক্ষে একা এত ব্যয় করা সম্ভব না। তাই দুটি লাইন বসানো হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে উন্নয়ন কাজ চলবে বলেও জানান তিনি।
বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেনাপোল কাস্টমস কমিশনার আজিজুর রহমান বলেন, রেলপথে বাণিজ্য শুরু হওয়ায় গত তিন মাসে কাস্টমস প্রায় ৩শ কোটি টাকা রাজস্ব আয় করেছে। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো উন্নয়ন হলে আগামীতে সবচেয়ে বড় রাজস্ব আয়ের মাধ্যম হবে রেলপথ থেকে।
বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সুজন বলন, পদ্মা সেতু চালু হলে দু’দেশের মধ্যে যাত্রী পরিবহনের বড় মাধ্যম হবে বেনাপোল রেলপথ। বর্তমানে প্রতিবছর বাণিজ্যিক খাতে বেনাপোল বন্দর থেকে সরকারের প্রায় সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব আয় হচ্ছে। আগামীতে রাজস্ব দ্বিগুণ বাড়বে।

Leave a Reply