বাগমারা (রাজশাহী)প্রতিনিধিঃ রাজশাহীর বাগমারা উপজেলার আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আল-মামুন এইবার ইউপি নির্বাচনে আবারও গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের নৌকার মাঝি হতে চান। তিনি গত ইউপি নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করে বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি (সিপিবি)প্রার্থীর কাছে রাজনৈতিক মারপ্যাচে পরাজিত হন। তাই এবার সকল নেতাকর্মীকে সাথে নিয়ে ঐক্যের ভিত্তিতে নির্বাচনের মাঠে নামতে চান। তিনি কখনো দলের বিরুদ্ধে কাজ করেন না, দল যদি তাকে মনোনয়ন দেন তাহলে নৌকা মার্কা নিয়ে তিনি নির্বাচন করবেন। তিনি দলের সিদ্ধান্তের বাইরে কোন কাজ করবেন না এমনটাই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন। তিনি স্কুল জীবন থেকে ছাত্রলীগের রাজনীতি শুরু করেন। এভাবেই তিনি ছাত্রজীবন থেকে ছাত্রলীগ, যুবলীগ ও আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে পড়ে । তিনি ১৯৮৩ সালে থেকে গোবিন্দপাড়া উচ্চবিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়া অবস্থায় মুজিব আদর্শে আর্দশিত হয়ে ছাত্রলীগের পদে অধিষ্ঠিত হন । সেখান থেকে তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। দলের কাজে বিশেষ বিশেষ ভুমিকা পালন করার কারণে তিনি আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন সম্মেলনে অংশ করে বিশেষ ভুমিকা পালন করেন । বাগমারা উপজেলাসহ রাজশাহী জেলার বিভিন্ন সভা সমাবেশ সফল করার লক্ষ্যে বিভিন্ন বাধা বিপত্তি অতিক্রম করে নিজ নেতৃত্বে সমাবেশে অংশ গ্রহণ করেন। তিনি স্বৈরশাসকের বিরুদ্ধে আন্দোলন অংশ গ্রহন করেন। তাছাড়া জামায়ত বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন আন্দোলনে তিনি অংশ করন। এভাবেই এই গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের ত্যাগী নেতা বাগমারাসহ রাজশাহী জেলার আওয়ামী ও যুবলীগের বিভিন্ন পদে অধিষ্ঠিত হন। তিনি ১৯৯৩ইং সালে গোবিন্দপাড়া ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক, ২০০৩ইং সালে বাগমারা উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ও রাজশাহী জেলা যুবলীগের কার্যকারী কমিটির সদস্য, ২০১৩ ইং সালে বাগমারা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও ২০২১ইং সালে বাগমারা উপজেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক। গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের নৌকার মনোনয়ন প্রত্যাশী এ ত্যাগী নেতার সাথে একান্ত সাক্ষাৎকালে তিনি বলেন আমি একজন আওয়ামীলীগ পরিবারের সদস্য। তিনি আরো বলেন আমার বংশের অনেক নেতা-কর্মী বাগমারা উপজেলাসহ রাজশাহী জেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছে যা বাগমারা উপজেলার কোনো নেতার পরিবারে সদস্য এ ধরনের জেলা-উপজেলায় কোন পদে নেই। আমি আশাবাদী গত নির্বাচনে নৌকার মনোনয়ন নিয়ে আমার দলের নেতাকর্মীদের মন দ্বন্দ্বের কারণেই হেরে গেছি তাই এবারে আর দলের নেতা-কর্মীদের মধ্যে কোন মনো দ্বন্দ্ব রেখে নির্বাচন করতে চায় না। সবকিছু পরিষ্কার করে নিয়ে আমি নির্বাচন করব ইনশাল্লাহ। যদি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা আমাকে নৌকার মনোনয়ন দেন তাহলে অবশ্যই গোবিন্দপাড়া ইউনিয়নের সকল নেতাকর্মীদেরকে সাথে নির্বাচন করে জয়লাভ করবো। উপজেলা আওয়ামীলীগের এই ত্যাগী নেতার সম্পর্কে এলাকাবাসী কথা হলে তারা জানান, তিনি একজন ত্যাগী আদর্শবান নেতা এলাকার উন্নয়নে তিনি সর্বদা কাজ করেন। তিনি স্কুল কলেজ, মাদ্রাসা ও মসজিদ মন্দিরে ধর্মীয় অনুষ্ঠানে ব্যক্তিগত সহ সরকারি অনুদান দিয়ে থাকেন । তাছাড়া রাস্তাঘাট উন্নয়ন ও বিশেষ ভূমিকা পালন করেন। এক কথায় দেশ ও জাতির উন্নয়নমূলক কাজে তিনি বিশেষ অবদান রাখেন। তাই এলাকাবাসীর আবারও দাবি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নিকট আমাদের এই নেতাকে যদি এবার নৌকার মনোনয়ন দেয় তাহলে আমরা নৌকার প্রতীকে ভোট দিয়ে তার বিজয় নিশ্চিত করব ইনশাল্লাহ ।

তাং ১১/১০/২০২১ইং

Leave a Reply