নয়ন হাসান
বিরামপুর(দিনাজপুর)প্রতিনিধিঃ

দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলায় সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে বোরো ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে চলতি বোরো মৌসুমে কৃষকদের নিকট থেকে ধান সংগ্রহের লক্ষ্যে কৃষক নির্বাচনের জন্য উম্মুক্ত লটারীর উদ্ধোধন করেন- দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক (এমপি)।

(৬মে) বৃহস্পতিবার বিকালে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের আয়োজনে অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে সরাসরি কৃষকদের কাছ থেকে সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ ও উম্মুক্ত লটারীর মাধ্যমে কৃষক বাঁচাই করণ অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পরিমল কুমার সরকার এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন- উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আলম রাজু এবং উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মেজবাউল ইসলাম মন্ডল।

অনুষ্ঠানে উপজেলা আওয়ামীলীগের সহ-সভাপতি নাড়ু গোপাল কুন্ড,সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক,দপ্তর সম্পাদক মামুনুর রশিদ মামুন,ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক,কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ নিকছন চন্দ্র পাল,খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান, চরকাই খাদ্য গুদাম (এলএসডি) ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম,থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মনিরুজ্জামান, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও)কাওসার আলী, সমাজসেবা কর্মকর্তা রাজুল ইসলাম,প্রেসক্লাবের সাবেক সভাপতি আকরাম হোসেন,বর্তমান প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহিনুর আলম,সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক মশিহুর রহমান, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ, শিক্ষক, সুধীজন,পৌরসভা ও ৭ ইউনিয়নের কার্ডধারী কৃষকগণসহ সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি’র বক্তব্যে (এমপি) শিবলী সাদিক বলেন-বর্তমান সরকার কৃষির উন্নয়নে নানা ধরণের পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে যাচ্ছে। যে কারণে কৃষকরা এবার বাম্পার ফলনের পাশাপাশি ধান বিক্রিতে পেয়েছেন অভাবনীয় মূল্য। দেশের বৃহত্তর স্বার্থ বিবেচনা করে ব্যবসায়ীদেরকে তাদের ধান সংগ্রহ ও সরবরাহ কার্যক্রম পরিচালনার জন্য অনুরোধ জানান তিনি।

এসময় উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা মোস্তাফিজার রহমান দৈনিক গণকণ্ঠকে বলেন-পৌরসভা ও প্রত্যেক ইউনিয়নে ধানের ফলন অনুয়ায়ী ৭টি ইউনিয়নে মোট ২১৬১ মেট্রিকটন ধান সংগ্রহ করা হবে। এর মধ্যে পৌরসভায় ২০০ মেট্টিকটন, ২০০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে,মুকুন্দপুর ইউনিয়নে ১৫০ মেট্রিকটন,১৫০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে, কাটলা ইউনিয়নে ২০০মেট্টিকটন,২০০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে, খানপুর ইউনিয়নে ৩৮০মেট্টিকটন,৩৮০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে, দিওড় ইউনিয়নে ৩৬০ মেট্টিকটন,৩৬০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে,বিনাইল ইউনিয়নে ৪০০ মেট্টিকটন,৪০০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে, জোতবানী ইউনিয়নে ৩৪১ মেট্টিকটন ৩৪১ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে, এবং পলিপ্রয়াগপুর ইউনিয়নে ১৩০ মেট্টিকটন ১৩০ জন কৃষক বাচাই করা হয়েছে। তিনি আরো বলেন-প্রত্যেক কার্ডধারী কৃষকের কাছ থেকে ১ মেট্রিকটন ধান সংগ্রহ করা হবে।

অভ্যন্তরীণ বোরো মৌসুমে সরাসরি কৃষকের কাছ থেকে ধান সংগ্রহে উন্মুক্ত লটারীর মাধ্যমে কৃষক বাঁচাই করণ শেষে উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পৌরসভার ও উপজেলার কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও গরীব অসহায়দের মাঝে ঢেউটিন বিতরন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *