বিনোদন ডেস্ক:

মানুষের জীবন নদীর মতো। কখনও জোয়ার, কখনও ভাটা। আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে; কেউ কেউ স্থায়ী হয়, কেউ কেউ কিছু কারণে স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারে না। ছোটপর্দার অভিনেত্রী শবনম ফারিয়ার জীবনেও তেমনটিই ঘটেছে।
২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে হারুন অর রশিদ অপুর সঙ্গে বন্ধুত্ব হয় শবনম ফারিয়ার। এরপর ফেসবুকে কথা বলতে বলতে তাদের দুজনের মধ্যে বন্ধুত্বের বন্ধন মজবুত হয়। তিন বছর ধরে চলে তাদের বন্ধুত্ব। এক পর্যায়ে দুজন পরস্পরের প্রতি ভালোবাসা অনুভব করেন। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারির ১ তারিখে পারিবারিকভাবে বিয়ে হয় তাদের। কিন্তু সেই সংসার বেশিদিন টিকেনি। প্রায় দুই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারও ৫ বছরের পুরোনো বন্ধুত্বে ফিরে গেছেন তারা। অভিনেত্রীর মতে- বিবাহে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু ভালোবাসার বিচ্ছেদ নেই! বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ নেই!

বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকে একাই রয়েছেন শবনম ফারিয়া। অভিনয়ের পাশাপাশি সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সরব তিনি। বিভিন্ন সময় নিজের ছবি কিংবা স্ট্যাটাসে বিভিন্ন বার্তা দিয়ে থাকেন তিনি। সেই ধারাবাহিকতায় গেলো শুক্রবার (২৭ আগস্ট) রাতে ফেসবুকে একটি ছবি শেয়ার করেন ফারিয়া। সেখানে কমলা রঙের শাড়িতে খোলা চুলে দেখা গেছে তাকে। কপালের ছোট্ট টিপ আর ঠোঁটের হালকা লিপস্টিকে নজরকাড়া রূপে হাজির হয়েছেন। সঙ্গে ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘যার কথা ভাসে, মেঘলা বাতাসে, তবু সে দূরে তা মানি না’।

ফারিয়ার সেই পোস্টের কমেন্ট বক্সে সরাসরি তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছেন এক ভক্ত। তাহসিন বিন মোহাম্মদ নামের সেই ব্যক্তি লিখেছেন, ‘আপনি অনেক সুন্দর, আমি আপনাকে বিয়ে করতে চাই।’ সেই কমেন্টে ৭ শতাধিক রিয়েক্ট পড়েছে।

এদিকে ভক্তের সেই প্রস্তাবকে উপেক্ষা করতে পারেননি শবনম ফারিয়া। তাহসিনের প্রস্তাবে সাড়া দিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘ওয়েট, আম্মুকে জানাচ্ছি ব্যাপারটা! বাই দ্য ওয়ে, এখানে মেকআপ করা, মেকআপ ছাড়া কিন্তু বেশি ভাল না দেখতে!’ ফারিয়ার সেই কমেন্টে প্রায় ৪ হাজার রিয়্যাক্ট পড়েছে।

তবে ফারিয়া যে কমেন্টটা মজার ছলেই করেছেন, তা সহজেই অনুমান করা যায়। কারণ ফেসবুকে অনুসারীদের মন্তব্যে প্রায়শই সাড়া দেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভক্তদের সঙ্গে কাটানো মুহূর্তগুলো বেশ উপভোগ করেন এই অভিনেত্রী। কখনো কখনো নেতিবাচক মন্তব্যের কারণে মনঃক্ষুণ্ণও হয় তার।

Leave a Reply