আবুল হোসেন সাজু (মৌলভীবাজার) জেলা প্রতিনিধিঃ

মৌলভীবাজারের বড়লেখায় আন্তর্জাতিক শিশু উন্নয়ন সংস্থা কম্প্যাশন ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের সহযোগিতায় মধ্য ও দক্ষিণ বাংলাদেশ শিশু উন্নয়ন প্রকল্প (বিডি- ০৪০১) এর পরিচালনায় ২০৮ শিশুর পরিবারের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার(২৫ জানুয়ারি) উপজেলার দক্ষিণভাগ ইউনিয়নের সাত নং খাসিয়া পুঞ্জিতে দূর্দশাগ্রস্ত উপকারভোগী ২০৮ শিশুর পরিবারের জন্য এসব খাদ্য সামগ্রী বিতরণ করা হয়।

প্রকল্প ব্যবস্থাপক টারজেন পাপাং এর সঞ্চালনায় ও প্রকল্পের চেয়ারম্যান মি. প্রভীনসন সুছিয়াং এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সাত নং পুঞ্জির সেক্রেটারি পাইলট মারলিয়া।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, খাসি ইয়ুথ ক্লাব সাত নং পুঞ্জির সাবেক সভাপতি সিতেশ খংলা, সাত নং পুঞ্জি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষিকা বিতার সুঙঃ, দৈনিক দেশকালের জুড়ী প্রতিনিধি মাইকেল নংরুম। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, প্রকল্পের হিসাবরক্ষক ডিকো সুরং, সমাজ উন্নয়ন কর্মী রিতা সুছিয়াং, রজেন পঃলং, মা ও শিশু পরিচর্যাকারী (ইমপ্লিমেন্টর) প্রিয়াঙ্কা এলগিরি, শিশু উন্নয়ন কর্মী হেমসন ধার, রাজু খংলা, শান্তি পঃস্না প্রমূখ।

বিতরণকৃত খাদ্য সামগ্রীর প্যাকেটের মধ্যে ছিল- ৭ কেজি চাল, ১ কেজি ডাল, ৫০০ গ্রাম সয়াবিন তেল, ২ কেজি আলু, ২ টি করে সাবান, ২টি করে মাস্ক ও ১টি করে ব্যাগ।

এ সময় প্রকল্প ব্যবস্থাপক টারজেন পাপাং বলেন, মহামারি করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) সংক্রমণের প্রাদুর্ভাবে দেশের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে যায়। এমতাবস্থায় সংস্থা কতৃপক্ষ শিশুদের সমস্যার কথা বিবেচনা করে এফডি-৭, ফেজ-২ প্রকল্প হাতে নিয়েছে। ওই প্রকল্পটি গত বছরের মে থেকে নভেম্বর মাস পর্যন্ত উপকারভোগীদের জন্য শুধুমাত্র ত্রাণ সামগ্রী বিতরণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

প্রকল্পটির মাধ্যমে উপকারভোগী প্রত্যেক শিশুর জন্য ১৪ কেজি চাল, ৫ কেজি আলু, ২ কেজি ডাল, ১ লিঃ সয়াবিন তেল, ২ করে সাবান, ২টি করে মাস্ক ও ১টি করে ব্যাগ দেওয়া হয়।

যা গত বছরের নভেম্বর মাসে ওই প্রকল্পটির মেয়াদ শেষ হয়। আজকের যেসব খাদ্য সামগ্রী দেওয়া হয়েছে তা তোমাদের দৈনন্দিন খাবারের বাজেট থেকে সংরক্ষণ করে যাতে তোমরা তোমাদের পরিবারের সাথে খেতে পারো সেজন্য ত্রাণ আকারে দেওয়া হয়েছে। দেশের অবস্থা স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত আশা করি এ ত্রাণ সামগ্রী বিতরণে অব্যাহত থাকবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *