জেকে বিশ্বাস ডিউক চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি :

চিকিৎসার জন্য ভারতে যাওয়া বাংলাদেশের নাগরিকরা বেনাপোল বন্দর দিয়ে আসার পর খুবই হয়রানির শিকার হচ্ছেন।

বন্দরে প্রবেশ করেই বিপদে পড়ে যাচ্ছেন আগত যাত্রীরা। বিশেষ করে বন্দরের স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডাক্তারদের ব্যবহার খুবই খারাপ, তাদের সাথে কথা বলতে গেলে প্রচন্ড রোদের মধ্যে এক থেকে দুই ঘন্টা লাইনে দাঁড়িয়ে থাকতে হয়। চিকিৎসার প্রেসক্রিপশন তাদের দেখালেও তা ভালো ভাবে দেখছেন না। একজন কিডনি পেশেন্ট যার প্রেসক্রিপশনে দ্রুত কিডনি পরিবর্তন অথবা দ্রুত ডায়ালাইসিস করার নির্দেশনা আছে,সেটা দেখেও ডাক্তার বলছেন না আপনার অবস্থা তো ভালোই আছে। ডাক্তার সাহেব মনে হয় প্রতিশোধ নিচ্ছেন কেন বাংলাদেশিরা ভারতে চিকিৎসার জন্য গেছে?
একজন মহিলা হেলথ ইনস্পেক্টর আছেন যিনি ভারত প্রত্যাগত রোগীদের সাথে কুকুর-বিড়ালের মত আচরণ করছেন।
যেখানে ভারত প্রত্যাগত রোগীরা করোনা টেস্টে নেগেটিভ হয়ে বাংলাদেশ সহকারি হাইকমিশনের এনওসি নিয়ে দেশে দেশে প্রবেশ করছেন তাদের সাথে নিতান্তই বিরূপ আচরণ কি শোভনীয়?
খুলনার সুমন নামে ভারত থেকে আগত টোটাল হিপ জয়েন্ট রেপ্লেসমেন্ট এর একজন রোগীর সাথে কথা বলে জানা গেছে তিনি সকাল 9:30 এ দেশে প্রবেশ করে রাত একটায় যশোরে পৌঁছান,যদিও তার ব্যবস্থাপত্রে লিখা আছে কমপ্লিট বেড্ রেস্ট, প্রতি চার ঘণ্টায় 10 মিনিট হাঁটাবে, কিন্তু বাংলাদেশে ঢুকে তাকে টানা 11 ঘণ্টা দাঁড়িয়ে কাটাতে হয়েছে কারণ উঁচু জায়গা ছাড়া তিনি শুয়ে বা বসে থাকতে পারে না ।
ভারত থেকে আগত দের সাথে কথা বলে জানা গেছে তারা নিজেরাও কোয়ারেন্টাইন এ থাকতে চান তবে সেটা তাদের নিজ নিজ জেলায়।

মাননীয় সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সহ সংশ্লিষ্ট সকলের দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলছি আগতরা সবাই রোগী, মানবিক দিক বিবেচনা করে তাদের নিজ নিজ জেলায় করেন্টাইনের ব্যবস্থা করা হোক।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *