নিজস্ব প্রতিবেদকঃ
ভয় নয়, করোনা জয়ে চাই সচেতনতা, এই স্লোগান নিয়ে এগিয়ে চলেছে নারিকেল বাড়ীয়া তথা ঝিনাইদহ সদর থানার পুলিশ ইউনিট।
দোগাছি,সুরাট, নারিকেল বাড়ীয়া, ফুরসন্দী ঝিনাইদহ জেলার সদর থানার চারটি ইউনিয়ন বলা বাহুল্য নির্বাচন,ঈদ রোজা ও নানা কর্মসুচীতে এলাকা জমজমাট। আছে দৈনিন্দিন বাজার ও নানা কর্মসুচীর জমায়েত।দেশের সর্বত্র চলছে করোনার প্রকপ। সনাক্তের সাথে পাল্লাদিয়ে বাড়ছে মৃত্যুর হার। পাশের দেশ ভারত আর চীনে করোনার প্রকপের ভয়ে ভীত বাংলাদেশের প্রতিটি অঞ্চল আর নগর,দেশের দক্ষিন অঞ্চলে করোনার প্রকপ কম হলেও সচেতন এই অঞ্চলের সাস্থ্যকর্মী ও সরকারের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা,এরই ধারাবাহিকতায় ঝিনাইদহ সদর থানার পুলিশ বাহিনীর সদস্যরাও আছেন ভীষন ব্যাস্ত। বিভিন্ন সময়ে মাস্ক, স্যানিটাইজার বিতরন, মাইকিং,নিরাপদ দুরুত্ব নির্ধারন সহ সাধারন মানুষের নানা দরকারে ছুটে বেড়াচ্ছেন বিভিন্ন গ্রাম থেকে মানুষের পাশে।এছাড়াও পাশাপাশি দুই ইউনিয়ন ও গ্রামের মানুষের মধ্যে চলমান বিরোধ ও দ্বন্দ নিয়ে সমস্যা,এলাকার সার্বিক আইন পরিস্থিতি ও এলাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার উন্নয়নে পুলিশের কর্মসুচী লক্ষনীয়।

দেশের ভাবমুর্তি রক্ষার্থে সব সময় কাজ করে গেলেও করোনা মহমারীতে পুলিশের দারুন প্রচেষ্টা জনগনের ভিতর বেশ সাড়া ফেলেছে।এছাড়াও স্কুল কলেজগামী শিক্ষার্থীরা যেন বিপথে না যায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে নানা প্রচারণা ও বিভিন্ন সময়ে শিক্ষকদের সাথে সমন্বয় করে অভিভাবক সমাবেশ, সুস্থ সংস্কৃতির বিকাশে নানামুখী পদক্ষেপ এই এলাকার মানুষের কাছে পুলিশকে এনে দিয়েছে দারুন গ্রহনযোগ্যতা।

এছাড়াও পুলিশি কর্মকান্ডের বিপরীতে নারিকেল বাড়িয়া-দোগাছি সহ সদর থানার প্রতিটি ইউনিয়নে সব ধরনের কাজে পুলিশের সরব উপস্থিতি ও মানুষের সাথে একাত্মতা প্রকাশের যে মনোভাব তা মানুষের মাঝে এনে দিয়েছে দারুন স্বস্তি। এক কথায় নারিকেল বাড়িয়া থানার অফিসার ইন-চার্জ অমিত কুমার দাশের নেতৃত্বে মানুষ এখন এক রকমের নিরাপত্তা বলয়ের ভিতর বসবাস করছে এ অঞ্চলের মানুষ।

এ বিষয়ে কথা বলতে গেলেঅফিসার ইনচার্জ অমিত কুমার বলেন, আমরা প্রজতন্ত্রের কর্মচারী এবং জনসাধারনের কল্যানার্থে সরকারের অন্যন্য বাহিনীর ন্যায় পুলিশও তার কর্তব্য পালনে দৃড় অঙ্গীকারাবদ্ধ। আমরা চাই সাধারণ মানুষ যেন সব সময় নিরাপদ থাকে এবং আমরা যে কোন পরিস্থিতিতে সাধারন মানুষের পাশে আছি, করোনা প্রসংগে প্রশ্ন করলে দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কর্মকর্তা বলেন মানুষ যেন করোনার প্রকপ থেকে বাঁচতে পারে এবং এই মরনঘাতী ভাইরাস যেন কোনভাবেই বিস্তার না করতে পারে সেজন্য আমরা আমাদের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করছি সাধারন মানুষকে সচেতন করার, এবং বিভিন্ন সময়ে জনগনের নানা বিধ প্রয়োজন মেটানোর চেষ্টা করে সাধারন মানুষের সাথে দারুন সম্পর্ক গড়ে উঠা প্রসংগে প্রশ্ন করতেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যলয়ের সাবেক এই গ্রাজুয়েট বলেন পুলিশ শুধু পুলিশই না সাধারন মানুষের সাথে তাঁদের মতো মিশে সকলের সুঃখ দুঃখে প্রয়োজন মিটিয়ে এলাকাবাসীর সাথে এলাকার শান্তি ও নিরাপত্তার লক্ষে কাজ করে যাওয়া তাঁদের লক্ষ্য।
অফিসার ইন-চার্জ অমিত কুমারের পাশা পাশি নিরালস ভাবে কাজ করে যাচ্ছেন তার সহযোগী এ এস আই সেলিম ও সুমন। বিভিন্ন সময় জনগনের সাথে সমন্বয় ও এলাকার সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে কথা বলতে গেলে জানান জনবহুল এই ইউনিয়ন ও মানুষের যেকোন ধরনের ভালো কাজে শুধু মাত্র পুলিশ বা নিরাপত্তা কর্মী নন মানুষের বন্ধু হিসাবে এগিয়ে অাসতে সদা প্রস্তুত নারিকেল বাড়ীয়া পুলিশ ক্যাম্প তথা এখানে কর্মরত সকল পুলিশ সদস্য।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *