মাঝরাত্রীতে
রাকেশ সাহা

এখন রাত বাজে তিনটা, আর আমি
ঘুম থেকে উঠে বিস্কুট খাচ্ছি,
চাঁদের আলোয় আলোকিত শহর
চারিদিকে তোমায়ই দেখছি।

ওই যে দূর আকাশের মেঘটা
এটা কি তুমি নও?
আমি তো শুধু তোমাকেই দেখছি
ভূত-প্রেত যা’ই হও।

জানালার ধারে শুয়ে থেকে আমি
চাঁদের সাথে করছি গল্প,
তুমিও আমাদের গল্প শুনবে নাকি
তোমাকেও শোনাই তবে অল্প।

চাঁদটা গল্প শুনে হাসছে আজ
ডাকছে আমায় ওই,
তোমায় নিয়ে চাঁদে চলে যাবো
তুমি আছো কোই?

চাঁদটা আজ মুখ খুলেছে, করছে
আঁধার থেকে আলো,
তোমার মুখ কেন ঢাকা থাকে
আছো কি তুমি ভালো?

প্রকৃতির মাঝে সবখানেই আমি
তোমাকেই খুঁজে পাই,
কিন্তু পাগলী ভূত এই ব্যস্ত শহরে
তুমি থেকেও যেন নাই।

কবি পরিচিতি
রাকেশ সাহা।
২০০৬ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি নাটোর জেলার সিংড়া উপজেলার চাঁদপুর মহল্লায় জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতার নাম রতন সাহা ও মাতার নাম শিবানী সাহা। রাকেশ সাহা বর্তমানে সিংড়া দমদমা পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজ এ নবম শ্রেণির বিজ্ঞান বিভাগে অধ্যয়নরত। তিনি ছোট বেলা থেকেই লেখালেখি করতেন। অনলাইনে কিছু সাহিত্য গ্রুপেরও সদস্য। তার লেখা কবিতা বিভিন্ন পত্র-পত্রিকা এবং বিভিন্ন ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়।২০১৮ সালে তার কবিতা “সিংড়া শহরে” নাটোরের “ইয়ে পত্রিকা” নামক ম্যাগাজিনে প্রকাশিত হয়। ২০১৮ সালেই তার লেখা “দাদুর লেখা বই” নামক কবিতা নাটোর জেলার অনলাইন পত্রিকা “নারদ বার্তা” তে প্রকাশিত হয়। তিনি ২০১৯ সালে “বিজয় ফুল” প্রতিযোগিতার কবিতা রচনায় সিংড়া উপজেলা থেকে প্রথম স্থান অধিকার করেন। এলাকায় তিনি ক্ষুদে কবি বলেই পরিচিত। তিনি কবিতার পাশাপাশি ছড়া, গান, গল্প, ভ্রমণকাহিনীও লিখেন। ২০২০ বইমেলায় প্রকাশিত তার কয়েকটি যৌথ কাব্য গ্রন্থ “হৃদপটে কাব্যকথন”,” স্মৃতির পাতায় পাকনেত্র”,”অন্তরীণ স্পন্দন”,”স্নেহের বাঁধন”। তিনি বর্তমানে “দৈনিক বাংলাদেশ চিত্র” অনলাইন পত্রিকার শিশু সাংবাদিক এবং “গাঙচিল সাহিত্য-সংস্কৃতি পরিষদ, সিংড়া শাখা” কমিটির প্রচার সম্পাদক হিসেবে কাজ করছেন। তিনি লাল সবুজ উন্নয়ন সংঘ নামক একটি সেচ্ছাসেবী সংগঠনের সাথে যুক্ত হয়ে দেশের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তিনি বড় হয়ে দেশ ও মানুষের সেবায় কাজ করার জন্য সকলের কাছে আশির্বাদ প্রার্থনা করেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *