আব্দুল্লাহ আল মামুন(টুকু)
টাংগাইল(ভূয়াপুর)প্রতিনিধি:

রাজধানীর মতিঝিলে যুব অধিকার সংরক্ষণ পরিষদ আয়োজিত বিক্ষোভ থেকে আটক বক্তা রফিকুল ইসলাম নেত্রকোণা মুক্তি পেয়েছেন। কিছুক্ষণ পূর্বে পুলিশ তাকে ছেড়ে দিয়েছে বলে জানা গেছে।

বিষয়টি বক্তা রফিকুল ইসলাম তার নিজের ফেসবুক আইডি থেকে এক লাইভে এসে নিশ্চিত করেছেন। লাইভে তিনি বলেন, ‘আমি এখন সম্পূর্ণ মুক্ত। আমি কিছুক্ষণ ছিলাম পল্টন থানায়। এখন আমি অনেক টায়ার্ড (ক্লান্ত)। আমি সব বিষয় পরে বলবো। তিনি আরও বলেন, আমি কাউকে দেখানোর জন্য মিছিলে যাইনি। বরং আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্যই গিয়েছি। আমার গ্রেফতারের খবরে অনেকেই সমবেদনা জানিয়েছেন। আমাদের পাশে ছিলেন। সবার জন্য আমি দোয়া করি। আমাদের ভালবাসা হোক আল্লাহর জন্যই।’

আজ বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টার দিকে মাওলানা রফিকুল, নুরুজ্জামানসহ বেশ কয়েকজনকে ধরে নিয়ে যায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তাদের প্রিজনভ্যানে নিয়ে যাওয়া হয়। পুলিশের ভ্যানে বসেই আটক নুরুজ্জামান নামে একজনের ফেসবুক আইডি থেকে লাইভেও এসেছিলেন বক্তা রফিকুল ইসলাম।

প্রিজনভ্যান থেকে মাত্র ২৯ সেকেন্ডের ওই লাইভে রফিকুল ইসলাম বলেছিলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমতুল্লাহ, সম্মানিত দেশবাসী আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমাদের পুলিশ প্রিজনভ্যানে নিয়ে এসেছে। এই যে আমাদের আরও কিছু ভাই। আমরা বলব- আমরা আসলে দেশের বিরুদ্ধে না, ইসলামের বিরুদ্ধে না, আমাদের পুলিশ ভাইয়েরা আহত করেছেন, আঘাত করেছেন, আমরা তাদের বলব- আমাদের আঘাত করা আর দেশকে আঘাত করা একই কথা। আমরা ইসলামবিরোধী না দেশবিরোধী না।’

বক্তা রফিকুল ইসলাম নেত্রকোণা রাজধানীর জামিয়া মাদানিয়া বারিধারা মাদরাসায় লেখাপড়া করেছেন। সেখান থেকে ২০১৯ সালে দাওরায়ে হাদিস (মাস্টার্স) সমাপণ করেছেন।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বাংলাদেশ সফর ঘরে রাজধানীর মতিঝিল শাপলাচত্বরে যুব অধিকার পরিষদের ব্যানারে বিক্ষোভ মিছিল ডাকা হয়। মিছিলে যুব, ছাত্র অধিকারসহ কয়েকটি সংগঠনের কর্মীরা অংশ নেন। পুলিশ মিছিলের গতিরোধ করতে চাইলে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। এ সময় পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়ে। মিছিলকারীরাও পুলিশকে লক্ষ করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *