শেখ মো.সোহেল রানা মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ সেতুতে সবগুলো স্প্যান বসে যাওয়ার পর এখন জোর দেয়া হচ্ছে স্ল্যাব বসানোর কাজে। এখনো স্বপ্নপূরণে দূরে পদ্মি সেতু প্রকল্প।এর মধ্যে বসানো গেছে অর্ধেকের বেশি স্ল্যাব। তবে রেলের চেয়ে রোড স্ল্যাব বসানোর কাজকে বেশি চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন প্রকল্প পরিচালক। আগামী ছয় মাস থেকে এক বছরের মধ্যে সেতুর স্ল্যাব বসানোর কাজ শেষ করা যাবে বলে মনে করছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।

সব স্প্যানে দৃশ্যমান এখন পদ্মা সেতু। স্বপ্নের নতুন এক দিগন্তের দিকে হাঁটছে দেশ। দৃশ্যমান স্প্যানগুলোর বড় একটি অংশ জুড়ে চোখে পড়ে স্ল্যাব বসে যাওয়ার দৃশ্যও। দ্বিতল এ সেতুর উপরের অংশে বসছে রোড স্ল্যাব আর নিচের অংশে রেলস্ল্যাব।

পুরো সেতুতে যোগ হবে ২ হাজার ৭৯১টি রোড স্ল্যাব, আর ২ হাজার ৯৫৯টি রেলওয়ে স্ল্যাব। উপরে চলবে চার লেনের গাড়ি, তাই রোড স্ল্যাবগুলোর দৈর্ঘ্য ২২ মিটার আর চওড়া ২ মিটার। নিচে সিঙ্গেল লাইনে রেল, তুলনামূলক ছোট তাই এ অংশের স্ল্যাব। প্রতিটি স্ল্যাব ৮ মিটার লম্বা আর ২ মিটার চওড়া।

এখন পর্যন্ত সেতুতে যোগ করা হয়েছে ১ হাজার ৮৯০টি রেল স্ল্যাব। সে তুলনায় রোড স্ল্যাব বসেছে কিছুটা কম, ১ হাজার ২৬১টি। সেতুর উপরের অংশ দিয়েই ভিতরে প্রবেশ করাতে হবে রেল স্ল্যাব। একবার উপরের অংশে রোড স্ল্যাব বসে গেলে নিচের অংশে রেল স্ল্যাব প্রবেশ করানো সম্ভব হবে না। তাই আগে সেগুলো বসানোর কাজ শেষ করা হচ্ছে। তবে রোড স্ল্যাবের কাজকেই বেশি চ্যালেঞ্জিং বলে মনে করছেন প্রকল্প পরিচালক শফিকুল ইসলাম।

তিনি বলেন, রেলে স্ল্যাব বসানো পর রোডের স্ল্যাব বসানো হবে। সেজন্য লোকবল সংগ্রহ করা হচ্ছে। কেননা রোড স্ল্যাব বসানো খুবই ক্রিটিক্যাল।

সেতুতে ১২ হাজার পিস রেলিং বসানো হবে। নভেম্বর মাস থেকে সেটারও কাজও শুরু হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *