শেখ মো.সোহেল রানা মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ

প্রতি বছরের নেয় এবার ও মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ায় ও সদর বিভিন্ন ইউনিয়ন শীত কালীন সবজি ফুলকপি চাষ হয়।

তবে, গজারিয়ার টেংগারচর ইউনিয়ন এবং মুন্সীগঞ্জ সদর বজ্রযোগনী ইউনিয়ন এ বছর ফুলকপি চাষি কৃষকদের চোখে মুখে হতাশার ছাপ পরেছে।

এবছর তাদের শীত কালীন সবজি ফুলকপি, বিক্রেতার অভাবে জমিতেই অতিরিক্ত ফুটে নষ্ট হয়ে ঝড়েচ্ছে বলে দাবি করেন তারা।

গত বছর ঠিক এ সময় গজারিয়া এবং বজ্রযোগনী উপজেলার শীত কালীন সবজি ফুলকপি চাষ করে অনেক খানি লাভের মুখ দেখেছিলো।তখন চাষীরা ফুলকপি জমি থেকে বিক্রি করেছিলো ২৩/২৪ টাকা। কিন্তু এবছর লছ তো হবেই তাদের সবজি বিক্রিই করিতে কষ্ট হচ্ছে।

এখন তারা গজারিয়ার টেংগারচর বাজারে, জামালদী বাজারে, হোসেন্দী বাজারে, ভাটেরচর বাজারে,গজারিয়া বাজারে,এবং ভবেরচর বাজারে শীত কালিন সবজি ফুলকপি বিক্রি করিতেছেন ৩/৪ টাকা পিস করে। যা কৃষকদের চারা ক্রয় থেকে শুরু করে ফুলকপি উঠানো প্রর্যন্ত তাদের অনুমানিক প্রতি ফুলকপি প্রতি খরচ পরেছে ৮/১০ টাকা।
যা এ বছর আমাদের মূল্যধন সহ টানদেবে বলে মনে করছি।

শীত কালীন সময়ে বাংলাদেশের প্রায় সব জাগায় নতুন শাক সবজি হয়। সে সময় কৃষকদের ও ব্যবসা ভালো হয়।

কিন্তু এ বার আমরা গজারিয়ার এবং বজ্রযোগনী কৃষকেরা শীত কালীন সবজি ফুলকপি চাষ করে অনেক খানি ক্ষতির মুখ দেখিবো বলে মনে করছি।

কিছু স্থানীয় কৃষকদের সাথে আলোচনা করে জানতে পারি,

একে, এবছর ব্যবসা ভালোনা তা উপর আমাদের উপজেলাতে তেমন শীতের প্রভাব পরেনি। যেহেতু ফুলকপি শীত কালীন সবজি, কিন্তু শীত এবার কম সে কারনে আমাদের জমির সকল ফুলকপি গরমের কারনে একসাথে তারাতারি ফুটে গেছে। তাই আমরা বিক্রি করে শেষ করিতে পারিনি অনেক কপি নষ্ট হয়ে পরেছে তা আমরা আমাদের জমির আইলে ফেলেদিতে বাধ্য হয়েছে। কিছু সবজি গরুকে খাওয়াতে বাধ্য হই। যা কিনা আমাদের মত ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য অনেক খতি বা লছের কারন বলে মনে করেন কৃষকেরা।

তারা আরো জানান, আমাদের পরিকল্পনা ছিলো আমাদের জমির সবজি আমরা ধিরে ধিরে ধারা বাহিক ভাবে বিক্রি করিবো। কিন্তু এবার আমরা প্রথম থেকেই বেশি দাম পাইনি, তা উপর আবার এবার আমাদের জেলায় তেমন শীতের লক্ষন দেখা দেয়নি।সে কারনে মুটামুটি গরম পরিবেশ বিরাজমান ছিলো এক সাথে সকল সবজি (ফুলকপি) ফুটে পরে জমিতে তাতে করে এক সঙ্গে সকল সবজি বিক্রি করা সম্ভব হয়নি কৃষকদের। পাশাপাশি তাদের তুলনা মূল্যক বিক্রিয় মূল্য ও ছিলো খুব।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *