অনলাইন ডেক্সঃ
রোববার দুপুরে বন্দরবাজারের বদর উদ্দিন আহমদ কামরান চত্বরে আয়োজিত হেফাজত ইসলামের ডাকা হরতালের প্রতিবাদে বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তারা এসব কথা বলেন। 

দেশের শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে হেফাজত, জামায়াত-শিবির ও বিএনপি ওঠেপড়ে লেগেছে। যারা জ্বালাও-পোড়াও, দোকানপাট ভাংচুর করে তারা দেশের মানুষের শান্তি চায় না। এদের প্রতিহত করতে সিলেট জেলা আওয়ামী লীগ সবসময় মাঠে থাকবে। রাজপথেই মৌলবাদীদের বিষদাঁত ভেঙে দেওয়া হবে।

জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি শফিকুর রহমান চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট মো. নাসির উদ্দিন খানের পরিচালনায় সমাবেশে বক্তব্য রাখেন- জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি অধ্যক্ষ সুজাত আলী রফিক, জেলা যুবলীগের সভাপতি শামীম আহমদ ভিপি, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি আফছর আজিজ, জেলা তাঁতী লীগের সভাপতি আলমগীর হোসেন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদ প্রমুখ।

এদিকে হেফাজতে ইসলামের ডাকা হরতালে সকাল থেকেই সিলেটের বিভিন্ন সড়কে অবস্থান নেয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠন। 

সকালে হেফাজতের নেতাকর্মীরাও সড়কে অবস্থান নেয়। আর দুপুরের দিকে নগরীর কোর্ট পয়েন্ট এলাকায় জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করার চেষ্টা করে ছাত্রশিবির। 

এ সময় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এতে দুই ছাত্রলীগ কর্মীসহ আহত হয়েছেন ৫ জন। পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫ জনকে আটক করেছে। হরতালে নাশকতা এড়াতে নগরজুড়ে বিপুলসংখ্যক পুলিশ মোতায়েন করা হয়।

সিলেট মহানগর পুলিশের কোতোয়ালি থানার ওসি এসএম আবু ফরহাদ বলেন, ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় ৫ জনকে আটক করা হয়েছে। এরা সবাই শিবির কর্মী। এছাড়া কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে শুনেছি। তবে সঠিক সংখ্যা এখনো জানতে পারিনি।

তিনি বলেন, হেফাজতের কর্মীরা শান্তিপূর্ণভাবেই অবস্থান নিয়েছিল। তবে দুপুরের দিকে শিবির মাঠে নেমে বিশৃঙ্খলার চেষ্টা করে। পুলিশ তাদের প্রতিহত করেছে।  

সিলেট মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত উপকমিশনার (গণমাধ্যম) বিএম আশরাফ উল্ল্যাহ তাহের বলেন, হরতালের নামে যে কোনো ধরনের নাশকতা এড়াতে পুলিশ সর্বোচ্চ প্রস্তুত রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *