মাহী তানভীর, চারঘাট(রাজশাহী)প্রতিনিধি:
শরৎ প্রকৃতিতে নিয়ে আসে উৎসবের আমেজ। শরতের বাতাসে ভাসতে থাকে দূর্গা পূজার আগমনী বার্তা। এবার দেবী দূর্গা আসছেন ঘোটকে। দূর্গা পূজা হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব। বড় উৎসবের আয়োজন ও বেশ বড়। চারদিকে উৎসবমুখর পরিবেশে চলছে পূজার প্রস্তুতি। পূজা মানেই ছোট-বড় সকলের চাই নতুন পোশাক। অনেকের আবার পূজায় ষষ্ঠী থেকে দশমী প্রতিদিনই চাই নতুন পোশাক। রাজশাহীর বিপনি বিতানগুলোতে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভীড় লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আগামী ১২ তারিখ থেকে পূজার আনুষ্ঠানিকতা শুরু হচ্ছে। নগরীর হিন্দু সম্প্রদায় তাই ব্যস্ত শেষ সময়ের কেনাকাটায়। সরেজমিন গিয়ে দেখা যায় নগরীর আর.ডি মার্কেট, নিউমার্কেট, থিম ওমর প্লাজা সহ ছোট-বড় বিপনি বিতানগুলোতে কেনাকাটার ধুম পড়েছে। সাধ্যের মধ্যে সকলেই কিনছেন নিজেদের পছন্দের পোশাক। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়ায় সকল ক্ষেত্রে মানব জীবনের স্বাভাবিকতা ফিরে এসেছে। এবারের পূজায় জামদানি, সুতি খেস শাড়ি, টাঙ্গাইল, কাতান সিল্ক, মণিপুরী শাড়ির পাশাপাশি ইন্ডিয়ার বিভিন্ন সিল্কের শাড়ির চাহিদা রয়েছে। যথারীতি তরুন-তরুনীর পছন্দের তালিকায় রয়েছে পাঞ্জাবি ও থ্রিপিস। নগরীর আড়ং, দর্জিবাড়ি সহ বিভিন্ন ফ্যাশন হাউজগুলো নিয়ে এসেছে পূজার নতুন পোশাক। অধিকাংশের পছন্দের তালিকায় রয়েছে নামিদামি ব্র্যান্ডের জুতা স্যান্ডেল। লোটো, বাটা,এপেক্স নিয়ে এসেছে তাদের নতুন কালেকশন। দর্জিবাড়ির পাঞ্জাবি কেনার সময় কথা হয় জয়ন্ত কুমার ও পিয়াস মোহন্তের সাথে।তারা বলে এবারের পূজার পাঞ্জাবি গুলো রুচিসম্মত ও মার্জিত। দিনের চেয়ে রাতের কেনাকাটা হয় আরো জমজমাট। তবে গয়নার দোকানে তুলনামূলক কম ভিড় দেখা যাচ্ছে।

Leave a Reply