রামগড় প্রতিনিধিঃ
খাগড়াছড়ি জেলার রামগড় খাগড়াছড়ি -ফেনী আঞ্চলিক মহাসড়ক এবং সিনেমাহল কলেজ গেইটের সংলগ্ন ও জনস্বাস্থ‍্য প্রকৌশলী অফিসের প্রধানফটক সংলগ্নে রামগড় পৌরসভার ময়লা আবর্জনার স্তুপের দূর গন্ধে আবাসিক এলাকা ও অফিসের আসা জনসাধারণ সহ পথচারীদের চলাচল নাভিশ্বাস হয়ে উঠেছে,স্থানীয়দের অভিযোগ প্রতিদিন পৌর শহরের বিভিন্ন ধরণের খাবারের উচ্ছিষ্ট, পঁচা ফল, বাসি ও পঁচা খাবার সহ পরিত্যক্ত জিনিসপত্র গুলো ফেলে ময়লা আবর্জনার স্থুপে পরিণত করে রাখার কারণে এলাকায় বসবাস করা কষ্টকর হয়ে যাচ্ছে,দীর্ঘদিন ধরে এখানে পৌরসভার ময়লা রাখার কারণে দূরগন্ধে মানুষ চলাচল করার সময় নাক চেপে ধরে আধাঁ কিঃমি রাস্তা ফাঁড়ি দিতে হচ্ছে ।বর্তমানে এই দূর গন্ধের ফলে করোনাকালীন সময়ে নানা ধরনের রোগবালাইও ছড়িয়ে পরার আশংকা রয়েছে বলে এখান কার পথচারী ও স্থানীয় সচেতন মহলের দাবি, এছাড়াও রামগড় একটি পর্যটন নগরী হিসেবে পরিচিত হওয়াতে দূর থেকে আসা দর্শনার্থীরা এবং আবাসিক এলাকায় বসবাসকারীরা দূর্গন্ধে নাকালে পড়তে হচ্ছে প্রতিনিয়ত, এদিকে রামগড় বাজার সিনেমাহল সহ বিভিন্ন জায়গাতে ডাস্টবিন না থাকাতে যেখানে সেখানে ময়লা রাখার কারণে দূরগন্ধে অতিষ্ঠ জনজীবন, এ নিয়ে একাধিকবার ব‍্যবসাহী ও স্থানীয়দের অভিযোগ উঠলেও নীরব ভূমিকায় রয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্তৃপক্ষ।

পথচারী মোহাম্মদ ইয়াসিন ও নাজমুল,দেলোয়ার হাসান সহ অনেকেই বলেন রামগড় পৌরকর্তৃপক্ষের সঠিক তদারকি না থাকাতে মেইন সড়কের পাশে এই ভাবে খোলামেলা ময়লা আবর্জনা রাখা হচ্ছে,এভাবে খোলামেলা জায়গাতে যন্ততন্ত ভাবে ময়লা রাখা হলে, এই দুরগন্ধ‍ থেকে মানুষ আক্রান্ত হতে পারে শ্বাসকষ্ট সহ নানান রোগে,
নামপ্রকাশেঅনিচ্ছুক কয়কজন স্থানীয় বাসিন্দা বলেন রামগড় পৌরসভা এলাকার বাহিরে অনেক পরিত্যক্ত পাহাড়ের গভীর গর্ত রয়েছে,সেখানে ময়লা আবর্জনা রাখতে পারে,কিন্তু সেটা না করে মানুষের বসবাসরত পৌর শহরের মাঝে ময়লা আবর্জনা রাখা হচ্ছে,দুরগন্ধে মানুষের অবস্থা খুবই খারাপ হচ্ছে, এজমির মালিক মাত্র ৫জন,এই ৫ লোকের উপকারে স্বার্থে এখানে ময়লা পালানো হচ্ছে, জমি,র মালিক এখানে বসবাস করছে না তাই তাদের কষ্টও হচ্ছে না,৫ ব‍্যাক্তির কারনে ময়লা আবর্জনার গন্ধ পুরো পৌরবাসিকে ভোগ করতে হচ্ছে,পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে স্থানীয়দের একটাই দাবী ময়লা আবর্জনার দুরগন্ধ থেকে আমাদের রেহাই দেওয়া হোক।

এই বিষয়ে রামগড় পৌর সভার মেয়র মোহাম্মদ শাহাজান (কাজী রিপন) বলেন পৌর এলাকায় ময়লা পালানোর মত উপযুক্ত তেমন কোন স্থান নেই, আর ওখানে জমি মালিকের সাথে সমন্বয় করে ময়লা রাখা হচ্ছে,জমির মালিক বলেছে ঐখানে ময়লা ফেলে তাদের জমি ভরাট করতে,বর্তমানে যদি স্থানীয়দের অভিযোগ থাকে তাহলে পরবর্তীতে ময়লা রাখার উপযুক্ত স্থানের ব‍্যবস্থা করে ঐখানে ময়লা পালানো বন্ধ করা হবে,মেয়র আরো বলেন ময়লা রাখার জন্য পৌরসভার নিজস্ব জমি কেনার সিদ্ধান্ত হয়েছে ফান্ড আসলেই জমি কেনা হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *