সোহেল হোসেন লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর রামগতি উপজেলার কমলনগরের মেঘনা নদীর তীর রক্ষা বাঁধ নির্মাণ প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়ায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানিয়ে আনন্দ মিছিল করেছে রামগতি উপজেলা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

আজ বুধবার বিকেলে উপজেলা, পৌর ও কলেজ ছাত্রলীগের উদ্যোগে উপজেলার আলেকজান্ডার বাজারে মিছিল শেষে প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বক্তব্য দেন আওয়ামীলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা।

পরে নেতাকর্মীদের মাঝে মিষ্টি বিতরণ করা করা হয়।

রামগতি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আকবর হোসেন সুখীর সভাপতিত্বে এবং উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসাইন সঞ্চালনায় এতে অংশ নেন রামগতি উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আবু নাছের, উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক মেজবাহ্ উদ্দিন ভিপি হেলাল, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ্ মোঃ রাকিব, এম. সোয়াইব হোসেন খন্দকার, রামগতি পৌর যুবলীগের আহ্বায়ক জিয়া উদ্দিন জিপু, রামগতি উপজেলা যুব ধারার সভাপতি মোঃ জাফর পাটোয়ারী, রামগতি উপজেলা আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আজমির হোসেন সুমন, রামগতি উপজেলা আওয়ামী যুবলীগের সম্মানিত সদস্য মোঃ হেলাল উদ্দিন, রামগতি উপজেলা ছাত্রলীগের সহ সভাপতি মুশফিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিরুল ইসলাম রকি, রামগতি পৌর ছাত্রলীগের আহ্বায়ক শেখ ফরিদ পাটোয়ারী, যুগ্ম আহ্বায়ক অভিজিৎ চৌধুরী মুন্না, সজিবুর রহমান সংগ্রাম, আরিফ হোসেন রাব্বী, আ স ম আবদুর রব সরকারি কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক আবদুর রহিম সুমন, যুগ্ম আহ্বায়ক ওয়াহিদ উজ জামান শাহেন শাহ, রামগতি পৌর স্বেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহ্বায়ক রিয়াজ উদ্দিন রাজু, মোঃ রাকিবুল ইসলাম প্রমুখ।

মিছিলকারীরা বলেন, মেঘনা নদীর ভাঙনে রামগতি-কমলনগর বিলীন হয়ে যাচ্ছে। ভাঙনের কবলে পড়ে ভিটেমাটি হারিয়ে কয়েক লাখ মানুষ ভূমিহীন হয়ে পড়েছে। এছাড়া উপকূলীয় বাসিন্দারা ভাঙনের মুখে রয়েছে। দীর্ঘদিন থেকে উপজেলাবাসী টেকসই বেড়িবাঁধ নির্মাণের দাবি জানিয়ে আসছিলো। সে দাবির প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাঁধ নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদন দেন। প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে রামগতি ও কমলনগর উপজেলার নদী তীরবর্তী ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা পাবে। বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প পাশ হওয়ায় তাই এ দুই উপজেলার মানুষের মধ্যে আনন্দ বিরাজ করছে। প্রধানমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে তাই ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমরা আনন্দ মিছিলের আয়োজন এবং মিষ্টি বিতরণ করি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *