সোহেল হোসেন লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি:
লক্ষ্মীপুর জেলার সদর হাসপাতালে যেপথ ধরে অসুস্থ রোগী নিয়ে স্বজন’রা সেবার জন্য আসে হাসপাতালে। সেইপথ যদি হয় ভয়ঙ্কর ও ঝুঁকিপূর্ণ নয়তো বা প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা’র শিকার হন। তাহলে কি আমরা ধরে নিবো, সেইখানকার সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ উদাসীন না কি অন্ধ? প্রিয় দর্শক বলছি লক্ষ্মীপুর জেলা সদর হাসপাতলের প্রধান গেট থেকে প্রবেশ করা সড়কটি কথা। যে সড়কটি সম্পূর্ণভাবে খানাখন্দভরা। ফলে সামান্য বৃষ্টি আসলে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে দৈনন্দিন জনদুর্ভোগে পরিনত হয়েছে।সড়কটির বর্তমান চিত্র ঝুঁকিপূর্ণ ও ভয়ঙ্কর। কারণ এ সড়কটি কংক্রিটের ঢালাই করা। গত কয়েক মাস থেকে সড়কটি ফেটে ও কংক্রিট উঠে গিয়ে বড়-বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এতে কংক্রিটের ভিতরে থাকা রডের মাথা ২-৩ ফুট বাহিরে। যেকোনো সময় এ রডের মাথা’র সাথে আঘাত লেগে আহত হচ্ছে হাসপাতালে আসা রুগী এবং স্বজনরা। লক্ষ্মীপুর পৌরসভা’র ১২নং ওয়ার্ড আবিরনগর বাসিন্দা মোঃ রাজু হোসেন বলেন, গত ৪ দিন থেকে এ হাসপাতালে কমবেশি আসা হয় রাজুর। তার শালিকা হাসপাতালের ৩য় তলা ভর্তি আছে। তিনি বলেন, সড়কটি খুব খারাপ অবস্থা। জেলা সদর হাসপাতালের সামনের চিত্র যদি এমন হয়। ভিতরে পরিবেশ কেমন হবে ? পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা’র চরম অভাব রয়েছে এ হাসপাতালে। টয়লেট ও বিছানাপত্র মেঝে খুব খারাপ অবস্থা। হাসপাতালের সামনের ঔষধ ফার্মেসি দোকানদার মোঃ সুজন হোসেন বলেন, সবসময় এ সড়কটিতে ছোট-বড় দুর্ঘটনা শিকার হয় রোগী ও স্বজন’রা। এছাড়াও সম্প্রতি হাসপাতালের একজন ডাক্তারও বের হয়ে থাকা রডের মাথার সাথে আঘাত খেয়ে কিছু দিন ছুটিতে ছিলেন। দ্রুত সড়কটি মেরামত নয়তো রডের মাথা গুলো কেটে দিলে কিছু’টা দুর্ভোগ লাঘব হবে। লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ সড়কটির বিষয়ে গণপূর্ত বিভাগকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। তারা টেন্ডারও দিয়েছে। আশাকরি খুব শীঘ্রই সড়কটির কাজ শুরু হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *