মো.সোহেল রানা, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের লৌহজংয়ে শিমুলিয়া ফেরিঘাটে রবিবার সকাল থেকে দেশের দক্ষিণ অঞ্চলের ঘর মুখো মানুষের ঢল নেমেছে। স্বাস্থ্য বিধি না মেনে ফেরি ও লঞ্চে গাদাগাদি করেই পরাপার হচ্ছে মানুষ।

শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ১৪টি ফেরি ও ৮৩টি লঞ্চ দিয়ে পারাপার করা হচ্ছে। কিন্তু মানুষ ও যানবাহনের চাপে সেগুলো দিয়ে কুলিয়ে ওঠা সম্ভব নয়। এদিকে উক্তাল পদ্মায় ফেরি চলাচল ধীরে গতির কারণে ঘাটে বাড়ছে গাড়ি জট।আজ সকালে সরজমিনে লঞ্চ ঘাটে দেখতে গিয়ে দেখা যায় লঞ্চ ঘাটে মানুষের অস্বাভাবিক জট নেই কোন স্বাস্থ্য বিধির বালাই। ফেরিতে প্রচন্ড ভিড়ের কারণ মটর সাইকেল জট গিয়ে পন্টুনে ঠেকেছে।যাত্রী- বাহী যানগুলো পারাপারে প্রাধান্য দেওয়ায় দীর্ঘ হচ্ছে পণ‍্যবাহী ট্রাকের লাইন।শিমুলিয়া বন্দর মাঠে সারিসারি ট্রাক দাঁড়িয়ে আছে। ধারণা করা হচ্ছে প্রায় হাজার টির উপরে হবে ট্রাক।

বিআইডব্লিউটিসির সহ – মহাব‍্যবস্থাপক মো.সফিকুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, শিমুলিয়া -বাংলাবাজার নৌরুটে ১৭টি ফেরি রয়েছে।পদ্মায় প্রবল স্রোত থাকায় ৩টি ফেরি চলতে পারছে না।কিন্তু ঘলমুখো মানুষের চাপ বেড়ে যাওয়ায় বাকি ফেরি দিয়ে পারাপার করে মানুষের ঢল কমানো সম্ভব হচ্ছে না। ঘাটে দুই পারে আটকা পড়েছে সহস্রাধিক যান।
ভিড় এড়াতে পরিবার পরিজন নিয়ে ভোররাতে ঘাটে পৌঁছেলেও পদ্মা পারি দিতে পারছে না অনেকেই।তাই বেলাবাড়ার সাথে সাথে জট আর বিড়ম্বনা দুটৌই বাড়ছে বলে জানান তিনি।

পদ্মা পার যাত্রীদের অনেকেই প্রশ্ন রাখেন সরকারি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের দিকে ‘লকডাউন শিথিল করা হল ‘কিন্তু ফেরি প্রার্যপ্ত করা হলো না। ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করেও ফেরি পাওয়া যায় না।এদিকে ফেরিতে স্বাস্থ্য বিধি মানছেন না যাত্রীরা, ফলে হতে পারে করোনাভাইরাস সংক্রমণ।ঝুকি বাড়ছে।

Leave a Reply