মো.সোহেল রানা,মুন্সীগঞ্জপ্রতিনিধিঃ মুন্সীগঞ্জের লৌহজং মাওয়া শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ৪০(চল্লিশ) দিন ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ রয়েছে। এর ফলে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের নদী পারাপার সহ রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগে দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।দায় কার?

প্রচণ্ড স্রোতে পদ্মা সেতুর পিলারে বারবার ফেরির ধাক্কা লাগার ঘটনায় এই নৌরুটে গত ১৮ আগস্ট থেকে ফেরি চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্পোরেশনে (বিআইডব্লিউটিসি)। পরবর্তী সময়ে পদ্মা সেতু এড়িয়ে বাংলাবাজার ঘাটের পরিবর্তে শরীয়তপুরের মাঝিরকান্দিতে ঘাট বসিয়ে শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি রুট সচল করার উদ্যোগ নেওয়া হয়। সব প্রস্তুতিও সম্পন্ন। কিন্তু নাব্য সংকটের কারণে এ রুটও সচল করা সম্ভব হয়নি।

ওই সময় বলা হয়েছিল ড্রেজিং করে রুট চালু করা হবে। প্রায় দেড় মাসেও চালু হয়নি ফেরি। এমন বাস্তবতায় আবারও পুরনো শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুট সচল করা হচ্ছে বলে বিআইডাব্লিউটিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে।

দীর্ঘ প্রায় দেড় মাস ধরে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলার মানুষের রাজধানী ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগে দুর্ভোগে পড়তে হচ্ছে। অনেকে প্রচণ্ড স্রোতের মধ্যে লঞ্চে ও ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে পদ্মা পাড়ি দিচ্ছে।

দীর্ঘদিন ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় শিমুলিয়ায় ৪টি ফেরিঘাটের পন্টুনের সামনের অংশে পদ্মা নদীতে ভাসমান ভ্যাকু দিয়ে বালু সরিয়ে নাব্য নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা চলছে।

বিআইডব্লিউটিসি’র চেয়ারম্যান সৈয়দ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, দ্রুত ফেরি চালু করার চেষ্টা করা হচ্ছে। শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌরুটে অনেক ডুবোচর থাকায় সচল করা সম্ভব হয়নি। পদ্মার প্রচণ্ড স্রোত কিছুটা কমে আসার কারণে আবারও পুরানো শিমুলিয়া-বাংলাবাজার রুটটি সচল করা হবে। শনিবার সংশ্লিষ্ট সব দফতরের কর্মকর্তারা রুট পরিদর্শনে যাবেন।

পরিদর্শনের পর ফেরি চলাচলের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। স্থানীয় প্রশাসনের সাথে বৈঠক নদী সম্পর্কে অবহিত করা হবে এবং নিদর্শন পেলে অতিদ্রুত ফেরি চলাচল হবে বলে আশা করা যায়।

Leave a Reply