মো.সোহেল রানা, মুন্সীগঞ্জ জেলা প্রতিনিধিঃ দীর্ঘ দিন পর চালু হতে যাচ্ছে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে ফেরি চলাচল । বারবার পদ্মাসেতুতে আঘাত ও পদ্মায় প্রচন্ড স্রোতের কারনে আগস্ট মাসের ১৮ তারিখ হতে ফেরি চলাচল বন্ধ ঘোষণা করে বিআইডব্লিউটিএ । দীর ১মাস ১৬দিন পর চালু হতে যাচ্ছে লৌহজং শিমুলিয়া বাংলা বাজার ফেরি চলাচল । বিআইডব্লিউটিএর ঘাট ব্যবস্থাপক মো.শাফায়াত হোসেন জানান, আগামী সোমবার (০৪-১০-২১ ইং) পরীক্ষামূলক ফেরি চালু করা হবে । যদি কোনো ধরনের সমস্যা না হয় তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করা হবে । যদিও শিমুলিয়া ঘাটে এখন চলাচল করার মতো ফেরি নেই , ঘাটে ফেরি চলাচল বন্ধ থাকায় অন্যত্র চলাচল করছে । পরীক্ষামূলক চলাচল করার পর কোনো প্রকার সমস্যা না হলে ফেরি চলাচল কন্টিনিউ করা হবে । এক্ষেত্রে ফেরি গুলো আবার শিমুলিয়া ঘাটে আনা হবে বলে তিনি জানান । বারবার পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কার ঘটনায় গত ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এরপর সেতু এড়িয়ে নতুন শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌ-রুটে ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এজন্য মাঝিরকান্দি ঘাটে নতুন করে পন্টুন স্থাপন করা হয়। নতুন নৌরুটে যখন ফেরি চলাচলের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ঠিক তখনই দেখা দেয় জটিলতা। পদ্মা সেতুর ২৬, ২৭ ও ২৮ নম্বর পিলারের কাছে ফেরি চলাচলের চ্যানেলে নাব্য সঙ্কট দেখা দেয়। এরপর-ই চ্যানেল তৈরিতে তিনটি ড্রেজার পাঠিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু প্রায় টানা ১০ দিন ড্রেজার চালিয়েও চ্যানেল সচল করা যায়নি। কারণ অদূরে উজানে থাকা চর হাজরা নদী ভাঙনে ভেঙে যাওয়ায় সেই মাটি চ্যানেলে এসে পড়ছে। ফলে বারবার পদ্মা সেতুর পিলারে ফেরির ধাক্কার ঘটনায় গত ১৮ আগস্ট থেকে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌরুটে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়। এরপর সেতু এড়িয়ে নতুন শিমুলিয়া-মাঝিরকান্দি নৌরুটে ফেরি চলাচলের সিদ্ধান্ত নেয় বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)। এজন্য মাঝিরকান্দি ঘাটে নতুন করে পন্টুন স্থাপন করা হয়। নতুন নৌ-রুটে যখন ফেরি চলাচলের জন্য প্রস্তুতি নেওয়া হয়। ঠিক তখনই দেখা দেয় জটিলতা। পদ্মা সেতুর ২৬, ২৭ ও ২৮ নম্বর পিলারের কাছে ফেরি চলাচলের চ্যানেলে নাব্য সঙ্কট দেখা দেয়। এরপরই চ্যানেল তৈরিতে তিনটি ড্রেজার পাঠিয়ে দেয় কর্তৃপক্ষ। কিন্তু প্রায় টানা ১০ দিন ড্রেজার চালিয়েও চ্যানেল সচল করা যায়নি। কারণ অদূরে উজানে থাকা চর হাজরা নদী ভাঙনে ভেঙে যাওয়ায় সেই মাটি চ্যানেলে এসে পড়ছে। ফলে ৪৫ দিন বন্ধ থাকার পরেও নতুন চ্যানেলে ফেরি চলাচল অধরাই থেকে গেছে। মাঝখানে নতুন ঘাট স্থাপনে বিপুল পরিমাণ অর্থের ক্ষতিসাধন।

নতুন চ্যানেল চালুর আশা বাদ দিয়ে এখন ড্রেজিং বন্ধ রেখেছে বিআইডব্লিউটিএ। নতুন চ্যানেল সচল করতে গিয়ে একদিকে চর হাজরার পলি এসে জমা হচ্ছে, অন্যদিকে নদীর প্রায় এক মিটার পানি কমে গিয়ে নাব্য সঙ্কট আরও তীব্র করেছে।

এ প্রসঙ্গে বিআইডব্লিউটিএ শিমুলিয়া বন্দর কর্মকর্তা মো. শাহাদাত হোসেন জানান, এখনই নতুন চ্যানেলে নাব্য সঙ্কট দেখা দিয়েছে। শুষ্ক মৌসুমে সেটি প্রবল হবে। বর্তমানে পদ্মা নদীতে পানি যেভাবে কমছে তাতে স্রোতের মাত্রাও কমে আসছে। তাই পুরনো চ্যানেল অর্থাৎ চর হাজরা চ্যানেলে পদ্মা সেতুর পিলারের মাঝ দিয়ে শিমুলিয়া-বাংলাবাজার নৌ-রুটে ফেরি চলাচল করবে।

Leave a Reply