কাকন সরকার ঃশেরপুরে ডিবি পুলিশের পরিচয় দিয়ে মোটর সাইকেল গতিরোধ করে ব্রহ্মপুত্র সেতুর ইজারাদারের ব্যবসায়ী অংশীদার মো. নূর হোসেন (৬০) কে চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে প্রকাশ্যে দিবা লোকে ৩৫ লক্ষ টাকা ছিনতাই করে নিয়ে গেছে।২১ মার্চ রবিবার দুপুর পৌনে ১২ টার দিকে জেলা শহরের মধ্যশেরী পাড়া মহল্লায় ছিনতাইয়ের কবলে পড়ে ব্যবসায়ী নূর হোসেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে মোটরসাইকেল চালক লিটন (২৮) ও আহত মো. নূর হোসেনকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়েছে। মো. নূর হোসেন সদর উপজেলার চরপক্ষীমারী ইউনিয়নের সাতপাকিয়া গ্রামের মৃত আঃ ছামাদের ছেলে ও ভাতিজা লিটন কুলুরচর গ্রামের মোজাম্মেল হকের ছেলে। পুলিশ ও ইজারাদারের অংশীদার মো. নূর হোসেন জানিয়েছেন, শেরপুর সড়ক বিভাগ (সওজ) কর্তৃক শেরপুর ব্রহ্মপুত্র সেতুটি বেশকয়েকজন ব্যবসায়ী ইজারা নিয়েছেন। রোববার দুপুরে ইজারাদারের ব্যবসায়ী অংশীদার নূর হোসেন সড়ক বিভাগে ইজারার কিস্তির ৩৫ লক্ষ টাকা ব্যাংকে জমা দেয়ার উদ্দেশ্যে ব্রহ্মপুত্র সেতুর টোল ঘর থেকে মোটরসাইকেল যোগে শেরপুর জেলা শহরে ন্যাশনাল ব্যাংক লিমিটেড শাখায় জমা দেয়ার জন্য তার ভাতিজা মোটরসাইকেল চালক লিটন (২৮)কে সাথে নিয়ে শহরের প্রবেশ মুখ মধ্যশেরী মহল্লায় পৌছামাত্র আগে থেকেই উৎপেতে থাকা ৫ সদস্যের ছিনতাইকারী দল তাদের মোটরসাইকেলের গতিরোধ করে প্রথমে তারা ডিবি পুলিশের পরিচয় দেয়। এসময় ছিনতাইকারীরা মোটরসাইকেল চালক লিটনকে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের সাথে হ্যান্ডকাপ পড়িয়ে ফেলে। পরে ওই ছিনতাইকারীরা নূর হোসেনের চোখে মরিচের গুড়া ছিটিয়ে ৩৫ লক্ষ টাকার ব্যাগ ছিনতাই করে দুটি মোটরসাইকেল যোগে ৪ ছিনতাইকারী দ্রুত পালিয়ে যায়। এদিকে ছিনতাইকারী দলের ১ সদস্য মোটরসাইকেলে উঠতে না পেরে রাস্তায় পড়ে যায়। পরে সে আবার দৌড়ে পালিয়ে যায়। খবর পেয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মোহাম্মদ হান্নান মিয়া ও সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন, জেলা গোয়েন্দা শাখা ডিবির (ওসি) মনিরুল আলম ভূঁইয়া সঙ্গীয় ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এব্যাপারে সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন জানিয়েছেন ছিনতাইয়ের সাথে জড়িতদের গ্রেফতারের জন্য মাঠে কাজ করেছে পুলিশ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *