নিজস্ব প্রতিবেদক : ১৫ মে শনিবার পাবনার সাঁথিয়া উপজেলার করমজা ইউনিয়নের ৩ নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক ও ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান ফকির এর বাড়িতে কথিত বি এন পি নেতা আমির তার দলবল ও সন্ত্রাসী বাহিনী ১৫০/২০০ সমর্থকদের সাথে নিয়ে খুব সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় হামলা চালায়। হামলার একপযার্য় সংর্ঘষ বেঁধে গেলে উভয় পক্ষের লোক জন আহত হয়। ৭/৮ জন আহত হয় আহত সবাই উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এ ভর্তি আছেন। ফজলুর রহমান ফকির জানান হামলার সময় ছুটিতে বাড়িতে আসা আমির খাঁএর ভাতিজা পুলিশ সদস্য আলী আকবরের লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে সাজেদা খাতুন। সেনা সদস্য আসাদুজ্জামান টুটুল(মিকাঈল) এর লাঠির আঘাতে গুরুতর আহত হয়েছে ডালিম খাতুন। আনারুল ফকির ও শামসুল শেখ কে সকালে তলট বাজার পরিকল্পিত ভাবে হত্যার উদ্দেশ্য হামলা করে হামলায় গুরুতর আহত।
এ বিষয় জানতে চাইলে ইউপি সদস্য ফজলুর রহমান ফকির বলেন এ অনেক বিরাট কাহিনী করমজা থেকে আওয়ামীলীগের নাম নিশানা মুছে ফেলতে আমাকে হত্যা করতে চায় একদল কুচক্রমল। ১৯৯৬ সাল থেকে সত্যিকারে আওয়ামী রাজনিতি বিরোধী একটা মহল আমার এবং আমার পরিবারের ক্ষতি করার জন্য উঠে পড়ে লেগেছে। আমি ওর্য়াড আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক হওয়ার পর থেকে আমি এদের দুই চোখের বিশ হয়ে গেছি। বিএন পি সমর্থক আমির খা ও তার দলবল অনেক বার আমার পরিবার ও আমার উপর হামলা চালায় আল্লাহর রহমতে আমি বেঁচে যাই। এবার আবার ঈদের পরদিন শনিবার সকালে আমার ভাতিজাকে তলট বাজার এর উপর হামলা করেছে। এর পর তারা খুব সকালে ঘুমন্ত অবস্থায় আমার বাড়ির উপর এসে হামলা চালায় এসময় আমি ও আমার ছেলে পেলে কোনো মতে বেঁচে গেলেও আমার দুই বোন সাজেদা ও ডামিম কে তারা হত্যার উদ্দেশ্য হামলা করে। এখন তারা হাসপাতালে ভর্তি। এরা আক্রম মুখি হয়ে অস্ত্রসস্ত্র নিয়ে এলাকায় প্রকাশ্যে গুরে বেড়াচ্ছে। এতে সাধারন মানুষ নিরাপত্তাহীন জীবন যাপন করছে। আমি একজন ইউপি সদস্য ও ক্ষমতাসীন দলের সাধারণ সম্পাদক হিসাবে সকলের নিরিহ সাধারণের কথা চিন্তা করে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *