নাজিম উদ্দিন মির্জাপুর টাংগাইল প্রতিনিধি:

টাঙ্গাইলের মির্জাপুর উপজেলার ফতেপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকার মির্জাপুর উপজেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মো. সানোয়ার হোসেনকে(৩১)মার্চ রাতে ফোন করে শাসিয়েছেন
গেলো ২৭ মার্চ দৈনিক আমার সংবাদ পত্রিকায় “বিএনপি নেতা এখন আ.লীগের সভাপতি প্রার্থী” এই শিরোনামে একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়। সেই সংবাদের জেরে সভাপতি হয়েই সাংবাদিককে এ ধরণের হুমকি স্বরূপ কথা বলেন রউফ চেয়ারম্যান!
এদিকে বিএনপির সক্রিয় নেতা থেকে আ.লীগে যোগদান করার কিছুদিন পরই ওই ইউনিয়নের আ.লীগের সভাপতি হওয়ায় দলীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলোতে বইছে নানা আলোচনা সমালোচনার ঝড়। অনেকেই তার এই সভাপতি পদ বাতিলের দাবি জানিয়েছেন।নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক আ.লীগ নেতা জানান, টাকার বিনিময়ে ভোট কিনে ত্যাগী পরিশ্রমী নেতাদের বাদ রেখে প্রভাব খাটিয়ে সভাপতি হয়েছেন রউফ চেয়ারম্যান, প্রতি ভোটারকে (কাউন্সিলর) তিন থেকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে ভোট কিনেছেন। এ নির্বাচনে তার প্রায় ১৫ লাখ টাকার মতো খরচ হয়েছে। এর আগেও সরকারি গাছ কেটে বিক্রি, চালে কম দেয়াসহ নানা ধরণের অভিযোগ রয়েছে এই চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে।
এদিকে সম্মেলনের দিন প্রথম অধিবেশনে ২০-৩০ জন কাউন্সিলর ব্যাতীত কোনো কাউন্সিলরকেই দেখা যায়নি সম্মেলনস্থলে। সে বিষয় নিয়েও নেতাদের মধ্যে চলে নানা গুঞ্জন। অনেক নেতাই তাদের বক্তব্যের মাধ্যমে ওই ইউনিয়নের নেতাদের প্রতি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।
উপজেলা আ.লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর শরীফ মাহমুদ বলেন, নির্বাচনতো সম্পন্ন হয়ে গেছে। এখন আর কিছুই করার নেই!
স্থানীয় (ফতেপুর) ইউনিয়ন আ.লীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন নেতা নির্বাচনের পূর্বে (গত ১১মার্চ) উপজেলা, জেলা ও কেন্দ্রীয় আ.লীগকে রউফ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে অর্থাৎ রউফ চেয়ারম্যানকে সভাপতি প্রার্থী না করা প্রসঙ্গে অভিযোগপত্র দায়ের করলেও সেই বিষয়ে কোনো ধরণের প্রতিবেদন জেলা আ.লীগকে মির্জাপুর উপজেলা আ.লীগ দেয়নি বলেও নিশ্চিত করেন আ.লীগের এই নেতা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *